ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে কুমিল্লার গোমতী সীমান্তে সাঁকো বিধ্বস্ত, ১০ গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

ভারত থেকে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢল ও প্রবল বর্ষণে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ও পাঁচথুবী ইউনিয়নের মধ্যবর্তী গোলাবাড়ী সীমান্তে গোমতী নদীর ওপর নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁশের সাঁকো ভেঙে গেছে। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে সাঁকোটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এর ফলে নদীর দুই পাড়ের অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির কারণে গোমতী নদীতে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায় এবং তীব্র স্রোতের সৃষ্টি হয়। ভারত থেকে ভেসে আসা একটি কাঠের ব্রিজের ধাক্কায় বাঁশের সাঁকোটি মুহূর্তেই ভেঙে যায়। এই সাঁকোটি স্থানীয় জনসাধারণের পাশাপাশি সীমান্ত পাহারায় নিয়োজিত বিজিবি সদস্যদের টহলের প্রধান মাধ্যম ছিল। বর্তমানে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় বিজিবির টহল কার্যক্রমেও বিঘ্ন ঘটছে।

ব্যক্তিগত উদ্যোগে সাঁকোটি নির্মাণ করেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা জুয়েল রানা। তিনি জানান, প্রায় দুই লাখ টাকা ব্যয়ে জনস্বার্থে তিনি এটি তৈরি করেছিলেন। বর্তমানে সাঁকোটি নতুন করে সংস্কার করার মতো আর্থিক সংগতি তার নেই। ফলে দুই পাড়ের বাসিন্দাদের এখন দীর্ঘ পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে, যা সময় ও অর্থের অপচয় ঘটাচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি অবগত হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে কুমিল্লার গোমতী সীমান্তে সাঁকো বিধ্বস্ত, ১০ গ্রামের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

আপডেট সময় : ০৩:৫১:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

ভারত থেকে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢল ও প্রবল বর্ষণে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ও পাঁচথুবী ইউনিয়নের মধ্যবর্তী গোলাবাড়ী সীমান্তে গোমতী নদীর ওপর নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁশের সাঁকো ভেঙে গেছে। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে সাঁকোটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এর ফলে নদীর দুই পাড়ের অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির কারণে গোমতী নদীতে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায় এবং তীব্র স্রোতের সৃষ্টি হয়। ভারত থেকে ভেসে আসা একটি কাঠের ব্রিজের ধাক্কায় বাঁশের সাঁকোটি মুহূর্তেই ভেঙে যায়। এই সাঁকোটি স্থানীয় জনসাধারণের পাশাপাশি সীমান্ত পাহারায় নিয়োজিত বিজিবি সদস্যদের টহলের প্রধান মাধ্যম ছিল। বর্তমানে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় বিজিবির টহল কার্যক্রমেও বিঘ্ন ঘটছে।

ব্যক্তিগত উদ্যোগে সাঁকোটি নির্মাণ করেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা জুয়েল রানা। তিনি জানান, প্রায় দুই লাখ টাকা ব্যয়ে জনস্বার্থে তিনি এটি তৈরি করেছিলেন। বর্তমানে সাঁকোটি নতুন করে সংস্কার করার মতো আর্থিক সংগতি তার নেই। ফলে দুই পাড়ের বাসিন্দাদের এখন দীর্ঘ পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে, যা সময় ও অর্থের অপচয় ঘটাচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি অবগত হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে।