ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

শিক্ষক সংকটে বিপর্যস্ত প্রাথমিক শিক্ষা: শূন্য ৭৮ হাজার পদ, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকসহ প্রায় ৭৮ হাজারেরও বেশি পদ শূন্য থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে শিক্ষা কার্যক্রম। নিয়োগে দীর্ঘসূত্রতা, আইনি জটিলতা, প্রশাসনিক ধীরগতি এবং সময়মতো পরীক্ষা না হওয়ায় এই সংকট তীব্রতর হচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে প্রান্তিক পর্যায়ের কোটি কোটি শিক্ষার্থীর ওপর।

তথ্যমতে, দেশের ৬৫ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় ৫২ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী কোনো প্রধান শিক্ষক নেই। সহকারী শিক্ষকদের চলতি দায়িত্ব দিয়ে কোনোমতে প্রশাসনিক কাজ চালানো হলেও পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে মারাত্মকভাবে। সম্প্রতি সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকলেও গত কয়েক মাস ধরে তা ঝুলে আছে। চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনের মুখে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখনো কাটেনি অনিশ্চয়তা।

বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় শুমারির তথ্য অনুযায়ী, অনুমোদিত পদের বিপরীতে বিপুল সংখ্যক পদ শূন্য থাকায় শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া ধীর হওয়ায় সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। দ্রুত এই শূন্য পদগুলো পূরণ করা না হলে দেশের প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ৬০ দিনে ৯ খুন: জনমনে তীব্র আতঙ্ক, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন

শিক্ষক সংকটে বিপর্যস্ত প্রাথমিক শিক্ষা: শূন্য ৭৮ হাজার পদ, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকসহ প্রায় ৭৮ হাজারেরও বেশি পদ শূন্য থাকায় স্থবির হয়ে পড়েছে শিক্ষা কার্যক্রম। নিয়োগে দীর্ঘসূত্রতা, আইনি জটিলতা, প্রশাসনিক ধীরগতি এবং সময়মতো পরীক্ষা না হওয়ায় এই সংকট তীব্রতর হচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে প্রান্তিক পর্যায়ের কোটি কোটি শিক্ষার্থীর ওপর।

তথ্যমতে, দেশের ৬৫ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় ৫২ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী কোনো প্রধান শিক্ষক নেই। সহকারী শিক্ষকদের চলতি দায়িত্ব দিয়ে কোনোমতে প্রশাসনিক কাজ চালানো হলেও পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে মারাত্মকভাবে। সম্প্রতি সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকলেও গত কয়েক মাস ধরে তা ঝুলে আছে। চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনের মুখে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও এখনো কাটেনি অনিশ্চয়তা।

বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় শুমারির তথ্য অনুযায়ী, অনুমোদিত পদের বিপরীতে বিপুল সংখ্যক পদ শূন্য থাকায় শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া ধীর হওয়ায় সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। দ্রুত এই শূন্য পদগুলো পূরণ করা না হলে দেশের প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।