ঢাকা ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ২৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে: পেন্টাগন

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত ও সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের এ পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার ৫০০ কোটি (২৫ বিলিয়ন) ডলার ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। বুধবার হাউজ আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শুনানিতে অংশ নিয়ে পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত আন্ডারসেক্রেটারি (কম্পট্রোলার) জুলস হার্স্ট এই তথ্য প্রকাশ করেন।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই শুনানিতে জানানো হয়, এই বিপুল ব্যয়ের একটি বড় অংশ খরচ হয়েছে গোলাবারুদ এবং অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রের পেছনে। এছাড়া সরাসরি সামরিক অভিযান পরিচালনা এবং যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত যুদ্ধসরঞ্জাম প্রতিস্থাপনেও বড় অঙ্কের তহবিল ব্যয় করতে হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে মার্কিন কোষাগারের ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের মধ্যে আগে থেকেই উদ্বেগ ছিল। বিশেষ করে ডেমোক্র্যাট সদস্যরা অভিযোগ তুলেছেন যে, কংগ্রেসের কোনো পূর্ব অনুমোদন ছাড়াই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ব্যয়বহুল যুদ্ধে জড়িয়েছেন।

পেন্টাগন কর্মকর্তারা আরও জানান, কেবল অস্ত্রের খরচই নয়, ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। বর্তমানে যুদ্ধের প্রকৃত আর্থিক ক্ষতি নিরূপণ করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের জন্য ভবিষ্যতে কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত তহবিল চাওয়া হতে পারে। ২০২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল সামরিক বাজেটের যৌক্তিকতা তুলে ধরার লক্ষ্যেই এই শুনানির আয়োজন করা হয়েছিল। তবে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধব্যয় এবং সরঞ্জামের ঘাটতি নিয়ে আইনপ্রণেতাদের কঠোর প্রশ্নের মুখে পড়েন পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইলিশের উৎপাদন নিয়ে বিতর্ক: সরকারি তথ্যে বৃদ্ধি, বাস্তবে কমছে সরবরাহ ও বাড়ছে দাম

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ২৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে: পেন্টাগন

আপডেট সময় : ১০:১৪:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত ও সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের এ পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার ৫০০ কোটি (২৫ বিলিয়ন) ডলার ব্যয় হয়েছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। বুধবার হাউজ আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শুনানিতে অংশ নিয়ে পেন্টাগনের ভারপ্রাপ্ত আন্ডারসেক্রেটারি (কম্পট্রোলার) জুলস হার্স্ট এই তথ্য প্রকাশ করেন।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই শুনানিতে জানানো হয়, এই বিপুল ব্যয়ের একটি বড় অংশ খরচ হয়েছে গোলাবারুদ এবং অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রের পেছনে। এছাড়া সরাসরি সামরিক অভিযান পরিচালনা এবং যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত যুদ্ধসরঞ্জাম প্রতিস্থাপনেও বড় অঙ্কের তহবিল ব্যয় করতে হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে মার্কিন কোষাগারের ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের মধ্যে আগে থেকেই উদ্বেগ ছিল। বিশেষ করে ডেমোক্র্যাট সদস্যরা অভিযোগ তুলেছেন যে, কংগ্রেসের কোনো পূর্ব অনুমোদন ছাড়াই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ব্যয়বহুল যুদ্ধে জড়িয়েছেন।

পেন্টাগন কর্মকর্তারা আরও জানান, কেবল অস্ত্রের খরচই নয়, ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। বর্তমানে যুদ্ধের প্রকৃত আর্থিক ক্ষতি নিরূপণ করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের জন্য ভবিষ্যতে কংগ্রেসের কাছে অতিরিক্ত তহবিল চাওয়া হতে পারে। ২০২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বিশাল সামরিক বাজেটের যৌক্তিকতা তুলে ধরার লক্ষ্যেই এই শুনানির আয়োজন করা হয়েছিল। তবে ক্রমবর্ধমান যুদ্ধব্যয় এবং সরঞ্জামের ঘাটতি নিয়ে আইনপ্রণেতাদের কঠোর প্রশ্নের মুখে পড়েন পেন্টাগনের শীর্ষ কর্মকর্তারা।