অন্তর্বর্তী সরকারের প্রাথমিক তালিকায় থাকা ১ হাজার ৭১৯টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এখনই এমপিওভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পূর্বের এই তালিকাটি পুনরায় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করার পাশাপাশি নতুন করে আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এরপর পুরোনো ও নতুন সব আবেদন একত্রে মূল্যায়ন করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে বলে জানা গেছে।
মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে জানা যায়, পূর্ববর্তী তালিকায় ৩ হাজার ৬১৫টি আবেদন যাচাই করতে মাত্র আট কর্মদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এত অল্প সময়ে বিপুল সংখ্যক প্রতিষ্ঠানের সঠিক মূল্যায়ন করা প্রায় অসম্ভব। এছাড়া আগের তালিকাটি নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক তৈরি হওয়া এবং বড় ধরনের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ ওঠায় সরকার এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
হিসাব অনুযায়ী, প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৪৭১টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৬২৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৩৫টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৪৫টি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ এবং ২৩২টি স্নাতক (সম্মান) কলেজসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ছিল। এসব প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রায় ৬৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, আগের তালিকা বাতিল না হলেও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সব আবেদন নতুন করে মূল্যায়ন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় বাজেট সাপেক্ষে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
রিপোর্টারের নাম 




















