ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের গান্দেরবাল জেলার এক পরিবারের দুই ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনা উপত্যকাটির কয়েক দশকের মানবিক বিপর্যয়ের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে। ২০০০ সালে রশিদ আহমেদ মুঘল যখন মাত্র ছয় বছরের শিশু, তখন তার বড় ভাই ইশফাককে সশস্ত্র বিদ্রোহীরা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করে। পরিবারের দাবি, ইশফাক ভারতীয় সেনাবাহিনীর হয়ে কাজ করতেন বলেই তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।
দীর্ঘ ২৬ বছর পর গত ৩১ মার্চ রশিদের জীবনেও নেমে আসে একই পরিণতি। তবে এবার ঘাতক ছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে রশিদের মৃত্যুকে বিদ্রোহীদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা বলা হলেও স্থানীয়রা একে সাজানো অভিযান ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করেছেন। রশিদের মরদেহটি তার নিজ গ্রামে দাফন করতে না দিয়ে সীমান্ত শহর কুপওয়ারার একটি অচিহ্নিত কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
কাশ্মীরের এই গুজ্জর সম্প্রদায় ঐতিহাসিকভাবে ভারত রাষ্ট্রের সমর্থক হিসেবে পরিচিত হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেখানে রাষ্ট্রবিরোধী মনোভাব তীব্র হচ্ছে। বিশেষ করে ২০১৯ সালে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা ৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকে এই অঞ্চলে অস্থিরতা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা আরও বেড়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























