ঢাকা ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের সাজা বৃদ্ধি, আপিল আদালত বহাল রাখলো

বিচার কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার কারাবন্দি সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের সাজা পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে সাত বছর করেছে দেশটির আপিল আদালত। বুধবার এই রায় ঘোষণা করা হয়। এর আগে গত জানুয়ারিতে একটি নিম্ন আদালত তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল।

তার বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ ছিল, গ্রেফতার এড়াতে তিনি প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ব্যবহার করেছিলেন। সিউল থেকে এএফপি এই খবর জানিয়েছে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন এবং প্রসিকিউশন উভয় পক্ষই এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছিল। ইউন দাবি করেছিলেন, তার বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা ‘অবৈধ তদন্তের’ ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে, বিশেষ প্রসিকিউটররা তার ১০ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছিলেন।

সিউল হাই কোর্টের বিচারক বুধবার বলেন, ‘আসামিকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হলো।’ রায়ে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ইউনের কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্য ও পরিণতি ছিল ‘অত্যন্ত নিন্দনীয়’। বিচারক বলেন, ‘আসামি শুধু প্রসিকিউটরসহ সংশ্লিষ্টদের আইনসম্মত পরোয়ানা বাস্তবায়নে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেননি, বরং তিনি প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা সেবার সরকারি কর্মকর্তাদেরও বেআইনি নির্দেশ দেন, যারা রাষ্ট্রের কর্মচারী। তাদের ব্যক্তিগত দেহরক্ষীর মতো ব্যবহার করার চেষ্টা করেছেন।’

আদালতে কালো স্যুট ও সাদা শার্ট পরে উপস্থিত ছিলেন ইউন। রায় শোনার সময় তার মুখে তেমন কোনো আবেগ দেখা যায়নি। এর আগে, ২০২৪ সালের শেষ দিকে সামরিক আইন জারির ব্যর্থ চেষ্টার ঘটনায় বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার গুরুতর অপরাধে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এতিম ও দুস্থ শিশুদের সুরক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের সাজা বৃদ্ধি, আপিল আদালত বহাল রাখলো

আপডেট সময় : ০২:৫৮:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

বিচার কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার কারাবন্দি সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের সাজা পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে সাত বছর করেছে দেশটির আপিল আদালত। বুধবার এই রায় ঘোষণা করা হয়। এর আগে গত জানুয়ারিতে একটি নিম্ন আদালত তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল।

তার বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ ছিল, গ্রেফতার এড়াতে তিনি প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ব্যবহার করেছিলেন। সিউল থেকে এএফপি এই খবর জানিয়েছে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন এবং প্রসিকিউশন উভয় পক্ষই এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছিল। ইউন দাবি করেছিলেন, তার বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানা ‘অবৈধ তদন্তের’ ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে, বিশেষ প্রসিকিউটররা তার ১০ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছিলেন।

সিউল হাই কোর্টের বিচারক বুধবার বলেন, ‘আসামিকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হলো।’ রায়ে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ইউনের কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্য ও পরিণতি ছিল ‘অত্যন্ত নিন্দনীয়’। বিচারক বলেন, ‘আসামি শুধু প্রসিকিউটরসহ সংশ্লিষ্টদের আইনসম্মত পরোয়ানা বাস্তবায়নে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেননি, বরং তিনি প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা সেবার সরকারি কর্মকর্তাদেরও বেআইনি নির্দেশ দেন, যারা রাষ্ট্রের কর্মচারী। তাদের ব্যক্তিগত দেহরক্ষীর মতো ব্যবহার করার চেষ্টা করেছেন।’

আদালতে কালো স্যুট ও সাদা শার্ট পরে উপস্থিত ছিলেন ইউন। রায় শোনার সময় তার মুখে তেমন কোনো আবেগ দেখা যায়নি। এর আগে, ২০২৪ সালের শেষ দিকে সামরিক আইন জারির ব্যর্থ চেষ্টার ঘটনায় বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেওয়ার গুরুতর অপরাধে তিনি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন।