ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

হেড অ্যান্ড নেক ক্যানসার প্রতিরোধে তামাক ও সুপারি বর্জন জরুরি

হেড অ্যান্ড নেক ক্যানসার সচেতনতা মাসে মুখ, গলা ও ঘাড়ের এই সাধারণ কিন্তু অনেকাংশে প্রতিরোধযোগ্য ক্যানসার সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে তামাক, পান-সুপারি ও জর্দা ব্যবহারের উচ্চ হারের কারণে এই ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি। গবেষণা অনুযায়ী, প্রতি এক লক্ষ মানুষের মধ্যে প্রায় ২৩-৪ জন হেড অ্যান্ড নেক ক্যানসারে আক্রান্ত হন, যার মধ্যে প্রায় ৭৭.৬ শতাংশ পুরুষ এবং ৮৬ শতাংশ ক্ষেত্রে তামাক ব্যবহারের ইতিহাস পাওয়া যায়। মুখগহ্বরের ক্যানসারই সবচেয়ে বেশি (প্রায় ৩৬ শতাংশ)।

উদ্বেগজনকভাবে, অনেক রোগী এই রোগের শেষ পর্যায়ে, যেমন স্টেজ-III (৩২.২%) ও স্টেজ-IV (৩৪.৬%) পর্যায়ে চিকিৎসকের কাছে আসেন। এই ক্যানসার জীবনযাত্রার মান এবং স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে, প্রাথমিক পর্যায়ে লক্ষণগুলো সনাক্ত করে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। মুখে বা জিহ্বায় দীর্ঘস্থায়ী ঘা, গিলতে অসুবিধা, কণ্ঠস্বর পরিবর্তন, বা গলায় ফোলা বা গাঁট দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য।

এই ক্যানসার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, তামাক ও সুপারি বর্জন, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে অনেক জীবন বাঁচানো সম্ভব। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য সম্পূর্ণভাবে বর্জন, পান-সুপারি ও জর্দা খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ, নিয়মিত মুখ ও দাঁতের পরিচর্যা এবং সন্দেহজনক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আজ পঞ্চম সাক্ষীর জবানবন্দি

হেড অ্যান্ড নেক ক্যানসার প্রতিরোধে তামাক ও সুপারি বর্জন জরুরি

আপডেট সময় : ০১:৫২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

হেড অ্যান্ড নেক ক্যানসার সচেতনতা মাসে মুখ, গলা ও ঘাড়ের এই সাধারণ কিন্তু অনেকাংশে প্রতিরোধযোগ্য ক্যানসার সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে তামাক, পান-সুপারি ও জর্দা ব্যবহারের উচ্চ হারের কারণে এই ক্যানসারের ঝুঁকি বেশি। গবেষণা অনুযায়ী, প্রতি এক লক্ষ মানুষের মধ্যে প্রায় ২৩-৪ জন হেড অ্যান্ড নেক ক্যানসারে আক্রান্ত হন, যার মধ্যে প্রায় ৭৭.৬ শতাংশ পুরুষ এবং ৮৬ শতাংশ ক্ষেত্রে তামাক ব্যবহারের ইতিহাস পাওয়া যায়। মুখগহ্বরের ক্যানসারই সবচেয়ে বেশি (প্রায় ৩৬ শতাংশ)।

উদ্বেগজনকভাবে, অনেক রোগী এই রোগের শেষ পর্যায়ে, যেমন স্টেজ-III (৩২.২%) ও স্টেজ-IV (৩৪.৬%) পর্যায়ে চিকিৎসকের কাছে আসেন। এই ক্যানসার জীবনযাত্রার মান এবং স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে, প্রাথমিক পর্যায়ে লক্ষণগুলো সনাক্ত করে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। মুখে বা জিহ্বায় দীর্ঘস্থায়ী ঘা, গিলতে অসুবিধা, কণ্ঠস্বর পরিবর্তন, বা গলায় ফোলা বা গাঁট দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য।

এই ক্যানসার প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, তামাক ও সুপারি বর্জন, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে অনেক জীবন বাঁচানো সম্ভব। প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য সম্পূর্ণভাবে বর্জন, পান-সুপারি ও জর্দা খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ, নিয়মিত মুখ ও দাঁতের পরিচর্যা এবং সন্দেহজনক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া।