ঢাকা ১০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

সংসদে পরিচয় সংকট: মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হওয়া নিয়ে জামায়াত আমিরকে প্রশ্ন তোলায় বিতর্ক

সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন যে, সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান তার ব্যক্তিগত পরিচয় এবং আদর্শ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলে গুরুতর অপরাধ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য’—এই দাবিকে চ্যালেঞ্জ করে ফজলুর রহমান তার নাগরিক অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ করেছেন।

মঙ্গলবার সংসদে ফজলুর রহমানের দেওয়া এক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন। ফজলুর রহমান দাবি করেছিলেন, কোনো মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের সদস্য জামায়াত করতে পারে না। এর জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘কোন দল করব, কোন আদর্শ অনুসরণ করব—তা জিজ্ঞেস করে করার অধিকার রাষ্ট্র কাউকে দেয়নি। এটি আমার নাগরিক অধিকার।’ তিনি ফজলুর রহমানের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানান এবং সংসদ থেকে এই অংশটি এক্সপান্স করার অনুরোধ করেন।

এর আগে, সংসদে ফজলুর রহমান বলেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না। যদি কেউ করে থাকে, তাহলে তিনি দ্বিগুণ অপরাধ করছেন। ফজলুর রহমানের এমন বক্তব্যের পর সংসদে বিরোধীদলীয় সদস্যরা হট্টগোল শুরু করেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) পরিস্থিতি শান্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বটবাহিনী দিয়ে রাজনীতি হয় না, মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে হয়: শামা ওবায়েদ

সংসদে পরিচয় সংকট: মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হওয়া নিয়ে জামায়াত আমিরকে প্রশ্ন তোলায় বিতর্ক

আপডেট সময় : ০৮:০৮:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন যে, সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান তার ব্যক্তিগত পরিচয় এবং আদর্শ নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলে গুরুতর অপরাধ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য’—এই দাবিকে চ্যালেঞ্জ করে ফজলুর রহমান তার নাগরিক অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ করেছেন।

মঙ্গলবার সংসদে ফজলুর রহমানের দেওয়া এক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন। ফজলুর রহমান দাবি করেছিলেন, কোনো মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ পরিবারের সদস্য জামায়াত করতে পারে না। এর জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘কোন দল করব, কোন আদর্শ অনুসরণ করব—তা জিজ্ঞেস করে করার অধিকার রাষ্ট্র কাউকে দেয়নি। এটি আমার নাগরিক অধিকার।’ তিনি ফজলুর রহমানের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানান এবং সংসদ থেকে এই অংশটি এক্সপান্স করার অনুরোধ করেন।

এর আগে, সংসদে ফজলুর রহমান বলেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না। যদি কেউ করে থাকে, তাহলে তিনি দ্বিগুণ অপরাধ করছেন। ফজলুর রহমানের এমন বক্তব্যের পর সংসদে বিরোধীদলীয় সদস্যরা হট্টগোল শুরু করেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) পরিস্থিতি শান্ত করেন।