ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের প্রভাবে ইউরোপজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার ভয়ে ইউরোপীয় বিভিন্ন দেশের সরকারের মধ্যে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে আগামী কয়েক মাসে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানির বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
সুইডেনের অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রী মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এই পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরেন। তিনি জানান, বিশেষ করে বিমানের জ্বালানি বা ‘জেট ফুয়েল’-এর মজুদ নিয়ে তারা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। এর আগে সুইডেন সরকার জানিয়েছিল যে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতার প্রভাব শুরুতে তাদের অর্থনীতিতে সীমিত থাকলেও এখন তা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে শুরু করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে জ্বালানি রেশনিং বা বরাদ্দ সীমিত করার প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।
এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় জ্বালানি তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক ও ওপেক প্লাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই বৈঠকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধি শেষবারের মতো অংশ নেবেন, কারণ দেশটি আগামী ১ মে থেকে এই জোট ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে। এদিকে হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে, যা ইউরোপের পাশাপাশি ভারতের মতো বড় বাজারগুলোকেও সংকটে ফেলেছে।
রিপোর্টারের নাম 






















