ঢাকা ১০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

লেবাননে ইসরাইল ইস্যু নিয়ে সরকার ও হিজবুল্লাহর মধ্যে তীব্র উত্তেজনা

ইসরাইলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সরকারি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে লেবাননের রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা ও বাদানুবাদ শুরু হয়েছে। দেশটির প্রভাবশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এই আলোচনাকে ‘অকার্যকর’ আখ্যা দিয়ে সরকারের কড়া সমালোচনা করেছে।

হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইসরাইলের ওপর চাপ সৃষ্টির মতো পর্যাপ্ত শক্তি বা ‘লিভারেজ’ লেবানন সরকারের নেই। গোষ্ঠীটির মতে, বর্তমান পরিস্থিতি ‘দেশদ্রোহিতা’র পর্যায়ে পৌঁছেছে। হিজবুল্লাহর সংসদ সদস্য আলী আম্মার এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘দক্ষিণ লেবাননের রক্তের বদলা নেওয়া হবে।’

অন্যদিকে, হিজবুল্লাহর অভিযোগের কড়া জবাব দিয়েছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট। তিনি অভিযোগ তুলে বলেন, গোষ্ঠীটি একটি বিদেশি শক্তির (ইরান) স্বার্থে লেবাননকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সরকার ও হিজবুল্লাহর মধ্যে এই পাল্টাপাল্টি বাক্যযুদ্ধ লেবাননের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতাকে নতুন করে সংকটে ফেলেছে। একদিকে সরকার আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের চেষ্টা করছে, অন্যদিকে হিজবুল্লাহ এই প্রক্রিয়াকে দক্ষিণ লেবাননের মানুষের ত্যাগের অবমাননা হিসেবে দেখছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় হাঁটু সমান পানি ভেঙে এসএসসি পরীক্ষা: চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

লেবাননে ইসরাইল ইস্যু নিয়ে সরকার ও হিজবুল্লাহর মধ্যে তীব্র উত্তেজনা

আপডেট সময় : ০৯:১৭:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

ইসরাইলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার সরকারি সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে লেবাননের রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা ও বাদানুবাদ শুরু হয়েছে। দেশটির প্রভাবশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এই আলোচনাকে ‘অকার্যকর’ আখ্যা দিয়ে সরকারের কড়া সমালোচনা করেছে।

হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইসরাইলের ওপর চাপ সৃষ্টির মতো পর্যাপ্ত শক্তি বা ‘লিভারেজ’ লেবানন সরকারের নেই। গোষ্ঠীটির মতে, বর্তমান পরিস্থিতি ‘দেশদ্রোহিতা’র পর্যায়ে পৌঁছেছে। হিজবুল্লাহর সংসদ সদস্য আলী আম্মার এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘দক্ষিণ লেবাননের রক্তের বদলা নেওয়া হবে।’

অন্যদিকে, হিজবুল্লাহর অভিযোগের কড়া জবাব দিয়েছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট। তিনি অভিযোগ তুলে বলেন, গোষ্ঠীটি একটি বিদেশি শক্তির (ইরান) স্বার্থে লেবাননকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। সরকার ও হিজবুল্লাহর মধ্যে এই পাল্টাপাল্টি বাক্যযুদ্ধ লেবাননের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতাকে নতুন করে সংকটে ফেলেছে। একদিকে সরকার আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের চেষ্টা করছে, অন্যদিকে হিজবুল্লাহ এই প্রক্রিয়াকে দক্ষিণ লেবাননের মানুষের ত্যাগের অবমাননা হিসেবে দেখছে।