ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিদ্যুতের বিভ্রাটের কারণে চলমান এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনালের ১১টি কেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় ৪ হাজার ৪৭৪ জন শিক্ষার্থী মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিচ্ছে। নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, নবীনগর ইচ্ছাময়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসএসসি এবং নারায়ণপুর ডিএস কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
জানা যায়, আজ সকাল থেকে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে নবীনগরে পল্লী বিদ্যুতের ৩৩ কেভি লাইন ট্রিপ করার কারণে পুরো নবীনগরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এতে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত আলোর অভাব দেখা দেয় এবং শিক্ষার্থীরা মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিতে বাধ্য হয়।
পরীক্ষার হল অন্ধকার হয়ে পড়ায় আলোর অভাবে অনেক শিক্ষার্থী উত্তরপত্রে লেখার সময় সমস্যায় পড়েছেন। এ বছর নবীনগর উপজেলায় এসএসসি ৮টি, দাখিল ২টি ও ভোকেশনাল ১টি—মোট ১১টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৪৭৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।
শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরীক্ষার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও মাঠ পর্যায়ে এর অভাব দেখা যাচ্ছে, যা পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য উদ্বেগজনক।
নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ঝড়-বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন জায়গায় গাছের ডালপালা ভেঙে তারের ওপর পড়ে থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে পরীক্ষাকেন্দ্রে মোমবাতি ও চার্জলাইটের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আবদুল ওয়াদুদ হোসেন জানিয়েছেন, সকাল থেকে বৃষ্টিপাত ও ঝোড়ো বাতাসের কারণে বিভিন্ন জায়গায় গাছপালা ভেঙে তারের ওপর পড়ে থাকায় ৩৩ কেভি লাইন ট্রিপ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তারা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছেন।
বিদ্যুৎ না থাকায় অভিভাবকেরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের গাফিলতিকে দায়ী করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 






















