উন্নত দেশগুলোতে নাগরিকরা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে টোল বা কর পরিশোধ করেন, যেখানে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর বা রসিদ সংগ্রহের ঝামেলা পোহাতে হয় না। বাংলাদেশেও কর ব্যবস্থাপনায় এমন স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনা জরুরি। বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভুয়া অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়, যা রোধে এনবিআর, আরজেএসসি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বয়ে একটি একীভূত ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। অডিট রিপোর্টে কোনো ধরনের অসংগতি থাকলে তা আর গ্রহণযোগ্য হবে না।
রাজস্ব বাড়ানোর ক্ষেত্রে করের হার যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা প্রয়োজন, যাতে সাধারণ মানুষ কর দিতে উৎসাহিত হয়। যারা নিয়মিত কর দিচ্ছেন তাদের ওপর চাপ না বাড়িয়ে করের আওতা বাড়ানো উচিত। এছাড়া রাজস্ব প্রশাসনে অটোমেশন বা স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি নিশ্চিত করা গেলে অনানুষ্ঠানিক লেনদেন এবং হয়রানি বন্ধ হবে। ইন্দোনেশিয়ার মতো সফল দেশগুলোর উদাহরণ অনুসরণ করে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গেলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
রিপোর্টারের নাম 

























