ঢাকা ০৮:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

রণক্ষেত্রে নামছে ‘ঘাতক রোবট’, প্রযুক্তির ব্যবহারে বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের ধরন

আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে এখন মানুষের বদলে জায়গা করে নিচ্ছে স্বয়ংক্রিয় ‘ঘাতক রোবট’। বিশেষ করে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে ড্রোনের পর এখন স্থলভাগের রোবটগুলোর ব্যবহার বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পূর্ব ইউক্রেনের বিভিন্ন উপত্যকায় ছোট সবুজ ওয়াগনের মতো দেখতে এই রোবটগুলো রুশ অবস্থানে হামলা চালাতে দেখা যাচ্ছে। একেকটি রোবট প্রায় ৬৬ পাউন্ড বিস্ফোরক বহন করতে সক্ষম এবং দূরনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার মাধ্যমে এগুলোকে সরাসরি শত্রুশিবিরে আঘাত হানার জন্য পাঠানো হচ্ছে।

সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেনাস্বল্পতা এবং ঝুঁকি কমাতে ইউক্রেন এখন রোবট-নির্ভর যুদ্ধের দিকে ঝুঁকছে। যদিও এই স্থল রোবটগুলো ড্রোনের তুলনায় কিছুটা ধীরগতির, তবে এগুলো অনেক বেশি শক্তিশালী বিস্ফোরক বহন করতে পারে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত মার্চ মাসেই প্রায় ৯ হাজার অভিযানে এ ধরনের স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে যুদ্ধক্ষেত্রে জনবলের চেয়ে প্রযুক্তির শ্রেষ্ঠত্বই জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের মঞ্চে ইংল্যান্ডের ত্রাণকর্তা হ্যারি কেইন: সংকটে গোল, জয়ে নেতৃত্ব

রণক্ষেত্রে নামছে ‘ঘাতক রোবট’, প্রযুক্তির ব্যবহারে বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের ধরন

আপডেট সময় : ০৬:৩৬:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে এখন মানুষের বদলে জায়গা করে নিচ্ছে স্বয়ংক্রিয় ‘ঘাতক রোবট’। বিশেষ করে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে ড্রোনের পর এখন স্থলভাগের রোবটগুলোর ব্যবহার বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পূর্ব ইউক্রেনের বিভিন্ন উপত্যকায় ছোট সবুজ ওয়াগনের মতো দেখতে এই রোবটগুলো রুশ অবস্থানে হামলা চালাতে দেখা যাচ্ছে। একেকটি রোবট প্রায় ৬৬ পাউন্ড বিস্ফোরক বহন করতে সক্ষম এবং দূরনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার মাধ্যমে এগুলোকে সরাসরি শত্রুশিবিরে আঘাত হানার জন্য পাঠানো হচ্ছে।

সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেনাস্বল্পতা এবং ঝুঁকি কমাতে ইউক্রেন এখন রোবট-নির্ভর যুদ্ধের দিকে ঝুঁকছে। যদিও এই স্থল রোবটগুলো ড্রোনের তুলনায় কিছুটা ধীরগতির, তবে এগুলো অনেক বেশি শক্তিশালী বিস্ফোরক বহন করতে পারে। ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত মার্চ মাসেই প্রায় ৯ হাজার অভিযানে এ ধরনের স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে যুদ্ধক্ষেত্রে জনবলের চেয়ে প্রযুক্তির শ্রেষ্ঠত্বই জয়-পরাজয় নির্ধারণ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।