দেশজুড়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে শ্রেণিকক্ষে অসুস্থ হয়ে পড়েছে আরও দুই শিশু শিক্ষার্থী। পটুয়াখালী ও পিরোজপুরে এই ঘটনা ঘটে। এর আগে কুমিল্লাতেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। শিক্ষক ও অভিভাবকরা বলছেন, অসহনীয় গরম এবং ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, যা শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ১৩৫নং উত্তর রণগোপালদী মৌজার চরের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র জুনায়েত (৯) শনিবার দুপুরে গণিত ক্লাস চলাকালীন হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিক প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর সে জ্ঞান ফিরে পায় এবং তার মাকে খবর দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। স্কুলের শিক্ষিকা অঞ্জনা রাণী দেবনাথ জানান, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ না থাকায় এই ঘটনা ঘটেছে।
একই দিনে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ১৭৩নং পশ্চিম ধানীসাফা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র সিফাতুল্লাহ সিয়ামও ক্লাস চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়ে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার কুমিল্লার মক্রবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী আমেনা আক্তার (৮) শ্রেণিকক্ষে জ্ঞান হারায়। তাকে দ্রুত নাঙ্গলকোট সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। আমেনার মা ফয়জুন নেসা বলেন, সকালে সুস্থ মেয়েকে স্কুলে পাঠানোর পর সাড়ে দশটার দিকে ফোন আসে। স্কুলে গিয়ে দেখেন মেয়ে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে। তিনি সরকারের কাছে এমন পরিস্থিতিতে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।
শিক্ষক ও অভিভাবকরা দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার কারণে সৃষ্ট এই সংকটময় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। তারা বলছেন, শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
রিপোর্টারের নাম 
























