পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি চ্যালেঞ্জিং নির্বাচন ছিল, তবে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আরও কঠিন চ্যালেঞ্জিং হবে। যেহেতু এই নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক থাকবে না, তাই এটি আরও বেশি কঠিন হবে।
শুক্রবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হাজী ফতেহ মোহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসার বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে নির্বাচিত স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি না থাকার কারণে আমরা পদে পদে সমস্যায় পড়ছি। প্রায় ১৭-১৮ বছর ধরে এই প্রক্রিয়ার কারণে তৃণমূল পর্যায়ের গ্রামীণ এলাকা নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। আমরা নির্বাচিত হয়েছি মাত্র দুই মাস হয়েছে। বর্তমানে দেশে স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি খুব একটা নেই। এলাকার চেয়ারম্যান নেই, মেম্বার নেই। অনেকে পলাতক রয়েছেন, আবার অনেকে কাজ করার মতো সুযোগ পাচ্ছেন না, ফলে কাজও হচ্ছে না। যারা আছেন, তাদের আমরা সবাই সহযোগিতা করব।
তিনি আরও বলেন, দলের পক্ষ থেকে যিনি চেয়ারম্যান নির্বাচন করতে ইচ্ছুক, তার মধ্যে জনবান্ধব হওয়া, জনগণের সাথে সম্পৃক্ত থাকা এবং সাধারণ মানুষের প্রয়োজনে কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে। তিনি মানুষের খোঁজখবর রাখেন কিনা, এ বিষয়গুলো ভালোভাবে দেখে প্রার্থী নির্বাচন করতে হবে। দলের মধ্যে দুজন-তিনজন প্রার্থী হয়ে গেলে কেউ নির্বাচিত হতে পারবেন না, তাই এই বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। যেকোনো সময় নির্বাচন চলে আসবে এবং নির্বাচন হবে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বার নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটিকে হালকাভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই, কারণ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে আমাদের ভাগ্য জড়িত। ওই প্রতিনিধিরা ভালো হলে আমাদের সবার অবস্থাও ভালো হবে। কোনো কারণে তারা যদি ভালো না হয়ে কেবল নিজেদের জন্য কাজ করেন, তবে আমরা বিপদে পড়ে যাব। তাই আমাদের এখন থেকেই সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।
রিপোর্টারের নাম 





















