ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লা পলিটেকনিকে ছাত্রদল ও শিবিরের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ১০

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে ঘটে যাওয়া এই লঙ্কাকাণ্ডে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, ‘গুপ্ত শিবির’ বলাকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে এক শিক্ষার্থীর সাথে অন্য কয়েকজন শিক্ষার্থীর কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে এক পর্যায়ে এক শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। এই ঘটনার বিচার চেয়ে সন্ধ্যায় অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যান ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। অধ্যক্ষ বিষয়টি মীমাংসার জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলেও তাৎক্ষণিক বিচারের দাবিতে অনড় থাকে ছাত্রশিবির। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং এক পর্যায়ে তা লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

ঘটনার বিষয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির একে অপরকে দোষারোপ করছে। মহানগর ছাত্রশিবিরের দাবি, পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। অন্যদিকে ছাত্রদল বলছে, এটি সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে সৃষ্ট ঘটনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় থানা পুলিশ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বাচল ঢাকা সিটির অন্তর্ভুক্ত, এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্ত

কুমিল্লা পলিটেকনিকে ছাত্রদল ও শিবিরের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ১০

আপডেট সময় : ১০:৫৯:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে ঘটে যাওয়া এই লঙ্কাকাণ্ডে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, ‘গুপ্ত শিবির’ বলাকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে এক শিক্ষার্থীর সাথে অন্য কয়েকজন শিক্ষার্থীর কথা কাটাকাটি হয়। এর জেরে এক পর্যায়ে এক শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়। এই ঘটনার বিচার চেয়ে সন্ধ্যায় অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যান ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। অধ্যক্ষ বিষয়টি মীমাংসার জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলেও তাৎক্ষণিক বিচারের দাবিতে অনড় থাকে ছাত্রশিবির। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং এক পর্যায়ে তা লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

ঘটনার বিষয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির একে অপরকে দোষারোপ করছে। মহানগর ছাত্রশিবিরের দাবি, পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। অন্যদিকে ছাত্রদল বলছে, এটি সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল থেকে সৃষ্ট ঘটনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় থানা পুলিশ।