ভোলার দৌলতখানে মেঘনা নদীতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকাকালীন কর্মহীন জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জনপ্রতি ৮০ কেজি চাল দেওয়ার কথা থাকলেও জেলেদের মাত্র ৫০ কেজি করে দেওয়ার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। বিষয়টি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নজরে এলে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পটুয়াখালীর জেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে প্রধান করে এক সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দৌলতখানের হাজিপুর ইউনিয়নে চাল বিতরণে এই অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তদন্ত কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দায়ীদের চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় স্পষ্ট জানিয়েছে, সরকারি সহায়তায় কোনো ধরনের অস্বচ্ছতা বা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। প্রকৃত জেলেরা যাতে তাদের ন্যায্য পাওনা পান, তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
রিপোর্টারের নাম 























