ঢাকা ০৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

৬ কোটি টাকা নিয়ে উধাও সমবায় সমিতি: দিশেহারা শত শত গ্রাহক

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের প্রায় ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে লাপাত্তা হয়েছে একটি সমবায় সমিতি। ‘মধ্যনগর রূপসী বাংলা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামের এই প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা গত দুই মাস ধরে আত্মগোপনে থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন পাঁচ শতাধিক গ্রাহক। ভুক্তভোগীরা তাদের জমানো টাকা ফেরত পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে নিবন্ধন নিয়ে কার্যক্রম শুরু করা এই সমিতিটি সাধারণ মানুষকে অস্বাভাবিক লাভের স্বপ্ন দেখিয়ে ডিপিএস ও সঞ্চয় সংগ্রহ করত। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার রফিকুল ইসলাম ও অমিয় ভূষণ কর হঠাৎ করেই কার্যালয় বন্ধ করে পালিয়ে যান। প্রতারিতদের মধ্যে নিম্ন আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও শিক্ষকরাও রয়েছেন, যারা তাদের সারাজীবনের সঞ্চয় এই সমিতিতে জমা রেখেছিলেন।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের মধ্যে কেউ বোনের বিয়ের জন্য রাখা টাকা হারিয়েছেন, আবার কেউ হারিয়েছেন ব্যবসার মূলধন। অনেকের জমানো টাকার পরিমাণ কয়েক লাখ থেকে শুরু করে ২৭ লাখ টাকা পর্যন্ত। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দ্রুত এই প্রতারক চক্রকে আইনের আওতায় এনে টাকা উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন নিঃস্ব হওয়া সাধারণ মানুষ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার জেরে পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান

৬ কোটি টাকা নিয়ে উধাও সমবায় সমিতি: দিশেহারা শত শত গ্রাহক

আপডেট সময় : ০৭:২১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় উচ্চ মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের প্রায় ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে লাপাত্তা হয়েছে একটি সমবায় সমিতি। ‘মধ্যনগর রূপসী বাংলা সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামের এই প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা গত দুই মাস ধরে আত্মগোপনে থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন পাঁচ শতাধিক গ্রাহক। ভুক্তভোগীরা তাদের জমানো টাকা ফেরত পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে নিবন্ধন নিয়ে কার্যক্রম শুরু করা এই সমিতিটি সাধারণ মানুষকে অস্বাভাবিক লাভের স্বপ্ন দেখিয়ে ডিপিএস ও সঞ্চয় সংগ্রহ করত। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার রফিকুল ইসলাম ও অমিয় ভূষণ কর হঠাৎ করেই কার্যালয় বন্ধ করে পালিয়ে যান। প্রতারিতদের মধ্যে নিম্ন আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও শিক্ষকরাও রয়েছেন, যারা তাদের সারাজীবনের সঞ্চয় এই সমিতিতে জমা রেখেছিলেন।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের মধ্যে কেউ বোনের বিয়ের জন্য রাখা টাকা হারিয়েছেন, আবার কেউ হারিয়েছেন ব্যবসার মূলধন। অনেকের জমানো টাকার পরিমাণ কয়েক লাখ থেকে শুরু করে ২৭ লাখ টাকা পর্যন্ত। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দ্রুত এই প্রতারক চক্রকে আইনের আওতায় এনে টাকা উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন নিঃস্ব হওয়া সাধারণ মানুষ।