ঢাকা ০৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

সুনামগঞ্জে সাড়ে ৩ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি

সুনামগঞ্জ জেলায় শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় ধরনের টিকাদান কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এই বিশেষ কার্যক্রমে জেলার প্রায় ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪৫ জন শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা প্রদান করা হবে। তিন সপ্তাহব্যাপী এই কর্মসূচি জেলার ১২টি উপজেলার সবকটিতে একযোগে পরিচালিত হবে।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের এই টিকার আওতায় আনা হচ্ছে। রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা. জসিম উদ্দিন এই কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে সদর উপজেলার ২৫০ শয্যার হাসপাতালসহ জেলায় ১১টি স্থায়ী এবং ২ হাজার ১৬৬টি অস্থায়ী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে ২৭৮ জন টিকাদানকারী এবং ৫৪৫ জন স্বেচ্ছাসেবী নিরলসভাবে কাজ করবেন। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে টিকা দেওয়া হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত কর্মকর্তারা কোনো ধরনের অপপ্রচার বা গুজবে কান না দিয়ে নির্ধারিত সময়ে শিশুদের টিকা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার জেরে পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান

সুনামগঞ্জে সাড়ে ৩ লাখ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি

আপডেট সময় : ০৭:২২:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

সুনামগঞ্জ জেলায় শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় ধরনের টিকাদান কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এই বিশেষ কার্যক্রমে জেলার প্রায় ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪৫ জন শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা প্রদান করা হবে। তিন সপ্তাহব্যাপী এই কর্মসূচি জেলার ১২টি উপজেলার সবকটিতে একযোগে পরিচালিত হবে।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের এই টিকার আওতায় আনা হচ্ছে। রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা. জসিম উদ্দিন এই কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে সদর উপজেলার ২৫০ শয্যার হাসপাতালসহ জেলায় ১১টি স্থায়ী এবং ২ হাজার ১৬৬টি অস্থায়ী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে ২৭৮ জন টিকাদানকারী এবং ৫৪৫ জন স্বেচ্ছাসেবী নিরলসভাবে কাজ করবেন। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে টিকা দেওয়া হবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত কর্মকর্তারা কোনো ধরনের অপপ্রচার বা গুজবে কান না দিয়ে নির্ধারিত সময়ে শিশুদের টিকা নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছেন।