ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ফুটবল খেলা নিয়ে দুই গ্রামের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য এলাকা

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে ওসিসহ চার পুলিশ সদস্য এবং উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ৩৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও এক হাজার জনকে আসামি করে মামলা করেছে। বর্তমানে গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে টানলক্ষিয়া ও হাপানিয়া গ্রাম।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত শুক্রবার বিকেলে ফুটবল খেলা নিয়ে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এর জের ধরে শনিবার দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুনরায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয় উভয়পক্ষ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে হামলার শিকার হয়। এসময় বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে এবং ১৩ জনকে আটক করে।

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আরিফুর রহমান জানান, আটককৃতদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত থাকলেও জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পলাতক অন্যান্য আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝিনাইদহে নির্মাণাধীন ভবনে রং করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু

ফুটবল খেলা নিয়ে দুই গ্রামের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য এলাকা

আপডেট সময় : ০৪:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে ওসিসহ চার পুলিশ সদস্য এবং উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ৩৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও এক হাজার জনকে আসামি করে মামলা করেছে। বর্তমানে গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে টানলক্ষিয়া ও হাপানিয়া গ্রাম।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত শুক্রবার বিকেলে ফুটবল খেলা নিয়ে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এর জের ধরে শনিবার দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুনরায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয় উভয়পক্ষ। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে হামলার শিকার হয়। এসময় বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে এবং ১৩ জনকে আটক করে।

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আরিফুর রহমান জানান, আটককৃতদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত থাকলেও জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পলাতক অন্যান্য আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।