ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

দেড় যুগ পর শিশু মিলন হত্যা মামলার রায়: ২ জনের যাবজ্জীবন, ১ জনের কারাদণ্ড

রাজধানীর কাফরুলে দীর্ঘ ১৮ বছর আগে সংঘটিত শিশু শফিকুল ইসলাম মিলন অপহরণ ও হত্যা মামলায় তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একজনকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। রোববার ঢাকার চার নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুন্সী মো. মশিউর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আল আমিন ঘরামী ও মাসুদ রানা। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে গণ্য হবে। অন্যদিকে, অপহরণের দায়ে সাইফুল ইসলাম ওরফে ছোট সাইফুলকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মো. আব্দুল মোতালেব ও আমিরুল ইসলামকে মামলা থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৬ মার্চ কাফরুলের বাসা থেকে খেলার কথা বলে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় মিলন। পরবর্তীতে অপহরণকারীরা পরিবারের কাছে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করে এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাভারের কর্ণপাড়া এলাকা থেকে মিলনের দেহাংশ ও রক্তমাখা পাথর উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণের ভিত্তিতে আদালত এই রায় প্রদান করেন। রায়ে আসামিদের সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দেওয়ার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝিনাইদহে নির্মাণাধীন ভবনে রং করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু

দেড় যুগ পর শিশু মিলন হত্যা মামলার রায়: ২ জনের যাবজ্জীবন, ১ জনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৪:৪২:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর কাফরুলে দীর্ঘ ১৮ বছর আগে সংঘটিত শিশু শফিকুল ইসলাম মিলন অপহরণ ও হত্যা মামলায় তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একজনকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। রোববার ঢাকার চার নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুন্সী মো. মশিউর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আল আমিন ঘরামী ও মাসুদ রানা। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড হিসেবে গণ্য হবে। অন্যদিকে, অপহরণের দায়ে সাইফুল ইসলাম ওরফে ছোট সাইফুলকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মো. আব্দুল মোতালেব ও আমিরুল ইসলামকে মামলা থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালের ৬ মার্চ কাফরুলের বাসা থেকে খেলার কথা বলে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় মিলন। পরবর্তীতে অপহরণকারীরা পরিবারের কাছে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করে এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাভারের কর্ণপাড়া এলাকা থেকে মিলনের দেহাংশ ও রক্তমাখা পাথর উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণের ভিত্তিতে আদালত এই রায় প্রদান করেন। রায়ে আসামিদের সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দেওয়ার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।