ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ছাত্রদলের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ: ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রাবাসে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় কলেজের সব ধরনের ক্লাস ও পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কলেজের একাডেমিক কাউন্সিল জরুরি সভা ডেকে সকল শিক্ষার্থীকে ছাত্রাবাস ও ছাত্রীনিবাস ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। শনিবার সকালে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে কলেজের বাঘমারা ছাত্রাবাসে আধিপত্য বিস্তার ও তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এতে মো. মুয়াজ ও মীর হামিদুর নামে তৃতীয় বর্ষের দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে মুয়াজকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং হামিদুর স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পুলিশ ও কলেজ প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলে তেল ভরা নিয়ে সাধারণ বাদানুবাদের জেরে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় ইতোমধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। কলেজের অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে এবং ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধকালীন উত্তেজনার মাঝেও হরমুজ প্রণালীতে রেকর্ড সংখ্যক জাহাজ চলাচল

ছাত্রদলের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ: ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা

আপডেট সময় : ০১:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্রাবাসে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় কলেজের সব ধরনের ক্লাস ও পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কলেজের একাডেমিক কাউন্সিল জরুরি সভা ডেকে সকল শিক্ষার্থীকে ছাত্রাবাস ও ছাত্রীনিবাস ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। শনিবার সকালে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে কলেজের বাঘমারা ছাত্রাবাসে আধিপত্য বিস্তার ও তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এতে মো. মুয়াজ ও মীর হামিদুর নামে তৃতীয় বর্ষের দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে মুয়াজকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং হামিদুর স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পুলিশ ও কলেজ প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলে তেল ভরা নিয়ে সাধারণ বাদানুবাদের জেরে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় ইতোমধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। কলেজের অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে এবং ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।