ঢাকা ০৭:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

গঙ্গাচড়ায় প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টি: ঘরবাড়ি হারিয়ে বিপাকে শতাধিক পরিবার

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় আকস্মিক এক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের চর বাগডহরাসহ কয়েকটি এলাকায় এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে অন্তত শতাধিক ঘরবাড়ি লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। বিশেষ করে ইউনিয়নের ২, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ঝড়ের তাণ্ডব ছিল সবচেয়ে বেশি, যার ফলে কয়েকশ মানুষ বর্তমানে চরম দুর্ভোগের মধ্যে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুক্রবার গভীর রাতে হঠাৎ শুরু হওয়া প্রবল ঝড়ের সঙ্গে বড় আকারের শিলাবৃষ্টিতে মুহূর্তের মধ্যে অনেকের বসতঘরের টিনের চাল ফুটো হয়ে যায়। ঘরবাড়ি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় অনেক পরিবারকে রাতেই খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে সুজা মিয়া ও রহেল উদ্দিনসহ অনেকেই জানান, ঝড়ের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘরবাড়ি তছনছ হয়ে যায় এবং ঘরের আসবাবপত্রসহ সব মালামাল ভিজে নষ্ট হয়ে যায়।

নোহালী ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য রেজাউল হক বুলেট জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি এবং ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে বর্তমানে নিস্ব অবস্থায় থাকা এসব অসহায় মানুষের জন্য দ্রুত সরকারি সহায়তা প্রয়োজন। অন্যথায় তাদের পক্ষে পুনরায় মাথা গোঁজার ঠাঁই করে নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কূটনীতির মাধ্যমে ইসরাইল যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য হয়েছে: ইরানের প্রেসিডেন্ট

গঙ্গাচড়ায় প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টি: ঘরবাড়ি হারিয়ে বিপাকে শতাধিক পরিবার

আপডেট সময় : ০৬:২২:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় আকস্মিক এক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের চর বাগডহরাসহ কয়েকটি এলাকায় এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে অন্তত শতাধিক ঘরবাড়ি লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। বিশেষ করে ইউনিয়নের ২, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ঝড়ের তাণ্ডব ছিল সবচেয়ে বেশি, যার ফলে কয়েকশ মানুষ বর্তমানে চরম দুর্ভোগের মধ্যে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুক্রবার গভীর রাতে হঠাৎ শুরু হওয়া প্রবল ঝড়ের সঙ্গে বড় আকারের শিলাবৃষ্টিতে মুহূর্তের মধ্যে অনেকের বসতঘরের টিনের চাল ফুটো হয়ে যায়। ঘরবাড়ি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় অনেক পরিবারকে রাতেই খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে সুজা মিয়া ও রহেল উদ্দিনসহ অনেকেই জানান, ঝড়ের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘরবাড়ি তছনছ হয়ে যায় এবং ঘরের আসবাবপত্রসহ সব মালামাল ভিজে নষ্ট হয়ে যায়।

নোহালী ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য রেজাউল হক বুলেট জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি এবং ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে বর্তমানে নিস্ব অবস্থায় থাকা এসব অসহায় মানুষের জন্য দ্রুত সরকারি সহায়তা প্রয়োজন। অন্যথায় তাদের পক্ষে পুনরায় মাথা গোঁজার ঠাঁই করে নেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।