প্রকাশ্য দিবালোকে বরিশাল নগরীর প্রাণকেন্দ্র সদর রোডে ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও পুলিশ হত্যার বিচারের দাবিতে নগরীতে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকাশ্য দিবালোকে ছাত্রলীগের আকস্মিক এই মিছিল নগরীতে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। থানার ২শ গজের মধ্যে এভাবে মিছিল করার বিষয়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মিছিল শেষ হওয়ার পরপরই নগরীতে পুলিশি টহল জোরদার করা হলেও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা আড়াইটার দিকে নগরীর বিবিরপুকুর এলাকা থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে কাকলীর মোড়ের ট্রাফিক পুলিশ বক্সের সামনে দিকে অগ্রসর হয়। এসময় মিছিলকারীরা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি ও পুলিশ হত্যার বিচার চেয়ে স্লোগান দেয়। তাদের বহন করা ব্যানারেও একই দাবি উল্লেখ ছিল। মিছিলে উল্লেখযোগ্য কোনো নেতার দেখা মেলেনি; অংশগ্রহণকারীরা সকলেই অপরিচিত এবং বেশ কয়েকজন মুখে মাস্ক ও চশমা ব্যবহার করায় তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ছাত্রলীগের এই মিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নগরজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
ভিডিওতে প্রায় ৩০ জন অংশগ্রহণকারীকে দেখা যায়। তারা কিছু সময় সড়কে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দেওয়ার পর দ্রুত আশপাশের গলিতে ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েক মিনিটের মধ্যেই এলাকা ত্যাগ করে।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন-উল ইসলাম জানিয়েছেন, নগরীতে ছাত্রলীগের কোনো কার্যক্রম নেই। তবে ঘাপটি মেরে থাকা কতিপয় নেতাকর্মী জুমার নামাজের সময়কে বেছে নিয়ে আকস্মিকভাবে একত্রিত হয়ে কাকলীর মোড় ট্রাফিক পুলিশ বক্সের অদূরে ঝটিকা মিছিল করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। তিনি আরও জানান, মিছিলকারীদের ছবি দেখে পরিচয় নিশ্চিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
রিপোর্টারের নাম 






















