ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী ২ মে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ ও বাশিয়া নদীর পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন

পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, তিন উপজেলাব্যাপী সিলেট অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বাশিয়া নদীর পুনঃখননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তিনি এটিকে সিলেটের অন্যতম বড় খনন প্রকল্প হিসেবে উল্লেখ করেন এবং জানান যে, প্রধানমন্ত্রী আগামী ২ মে নিজে সিলেটে এসে বাশিয়া নদীর পুনঃখনন এবং ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ দেশব্যাপী উদ্বোধন করবেন।

শুক্রবার দুপুরে সিলেট সদর উপজেলার মাশুকগজ্ঞ বাজারে বাশিয়া নদী পরিদর্শনকালে পানিসম্পদ মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি খাল খননের প্রস্তুতি ও অগ্রগতির ব্যাপারে খোঁজখবর নেন। এ সময় তাঁর সাথে জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সদর বিএনপির সভাপতি আব্দুল আজিজ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছিল, যার ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট দেখা দিত। এই অবস্থার উত্তরণে নদী পুনঃখনন প্রকল্পকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, এর ফলে জলাবদ্ধতা কমে যাবে এবং কৃষি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। প্রায় ৩০ হাজার একর জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। এছাড়াও প্রায় ১০,০০০ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং দুপারের জনবসতি বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা পাবে।

পরে তিনি হযরত শাহজালাল (র.) দরগাহ মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন এবং মসজিদ প্রাঙ্গণে দোয়া মাহফিলে যোগ দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিল ইরান

প্রধানমন্ত্রী ২ মে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ ও বাশিয়া নদীর পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন

আপডেট সময় : ০৭:৩২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, তিন উপজেলাব্যাপী সিলেট অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বাশিয়া নদীর পুনঃখননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তিনি এটিকে সিলেটের অন্যতম বড় খনন প্রকল্প হিসেবে উল্লেখ করেন এবং জানান যে, প্রধানমন্ত্রী আগামী ২ মে নিজে সিলেটে এসে বাশিয়া নদীর পুনঃখনন এবং ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ দেশব্যাপী উদ্বোধন করবেন।

শুক্রবার দুপুরে সিলেট সদর উপজেলার মাশুকগজ্ঞ বাজারে বাশিয়া নদী পরিদর্শনকালে পানিসম্পদ মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি খাল খননের প্রস্তুতি ও অগ্রগতির ব্যাপারে খোঁজখবর নেন। এ সময় তাঁর সাথে জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সদর বিএনপির সভাপতি আব্দুল আজিজ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছিল, যার ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট দেখা দিত। এই অবস্থার উত্তরণে নদী পুনঃখনন প্রকল্পকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, এর ফলে জলাবদ্ধতা কমে যাবে এবং কৃষি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। প্রায় ৩০ হাজার একর জমি সেচ সুবিধার আওতায় আসবে। এছাড়াও প্রায় ১০,০০০ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং দুপারের জনবসতি বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা পাবে।

পরে তিনি হযরত শাহজালাল (র.) দরগাহ মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন এবং মসজিদ প্রাঙ্গণে দোয়া মাহফিলে যোগ দেন।