ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

রাজস্ব আয়ে ভ্যাটই প্রধান ভরসা: ৩ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার বিশাল লক্ষ্যমাত্রা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৯:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পরোক্ষ কর, বিশেষ করে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আদায়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। আইএমএফ-এর ঋণের শর্ত পূরণ এবং রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, শুধু ভ্যাট খাত থেকেই ৩ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হতে পারে, যা মোট রাজস্ব আয়ের একটি বড় অংশ।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী অর্থবছরের বাজেটের আকার হতে পারে ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে প্রাধান্য দিয়ে এই বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে। মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। এটি চলতি অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যের তুলনায় প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা বেশি।

তবে রাজস্ব আদায়ের এই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে কিছুটা সংশয়ও রয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আদায় হয়েছে মাত্র ২ লাখ ৫০ হাজার ৬২৪ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকেরও কম। এমন পরিস্থিতিতে ভ্যাট, আয়কর এবং শুল্ক আদায়ে কঠোর তদারকির পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। বিশেষ করে ভ্যাট খাতকে আগামী দিনে সরকারের আয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় তীব্র গরমে ঘন ঘন লোডশেডিং: জনজীবনে চরম নাভিশ্বাস

রাজস্ব আয়ে ভ্যাটই প্রধান ভরসা: ৩ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকার বিশাল লক্ষ্যমাত্রা

আপডেট সময় : ০১:০৯:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে পরোক্ষ কর, বিশেষ করে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আদায়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। আইএমএফ-এর ঋণের শর্ত পূরণ এবং রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই কৌশল নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, শুধু ভ্যাট খাত থেকেই ৩ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হতে পারে, যা মোট রাজস্ব আয়ের একটি বড় অংশ।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী অর্থবছরের বাজেটের আকার হতে পারে ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে প্রাধান্য দিয়ে এই বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে। মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা। এটি চলতি অর্থবছরের সংশোধিত লক্ষ্যের তুলনায় প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা বেশি।

তবে রাজস্ব আদায়ের এই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে কিছুটা সংশয়ও রয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আদায় হয়েছে মাত্র ২ লাখ ৫০ হাজার ৬২৪ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকেরও কম। এমন পরিস্থিতিতে ভ্যাট, আয়কর এবং শুল্ক আদায়ে কঠোর তদারকির পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। বিশেষ করে ভ্যাট খাতকে আগামী দিনে সরকারের আয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।