ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনে দুর্নীতি: ঠিকাদারকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ‘কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেড’-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জাহিদুর রহিম জোয়ারদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে তলব করা হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক প্রবীর দাসের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল তাকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে বিগত সরকারের শাসনামলে জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নের কাজ পায় উক্ত প্রতিষ্ঠানটি। অভিযোগ রয়েছে যে, এই প্রকল্পে কয়েকশ কোটি টাকার নয়ছয় হয়েছে এবং বড় অঙ্কের অর্থ পাচার করা হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও সংস্কার কাজের ক্ষেত্রে দুর্নীতির ছায়া দেখা দিলে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানে নামে দুদক।

দুদক কর্মকর্তারা জানান, সংসদের মতো স্পর্শকাতর স্থানে নিম্নমানের সরঞ্জাম ব্যবহার এবং সরকারি অর্থের অপচয়ের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই দুর্নীতির সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং পাচারকৃত অর্থের গন্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় এই তদন্ত প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খুলনায় তীব্র গরমে ঘন ঘন লোডশেডিং: জনজীবনে চরম নাভিশ্বাস

জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনে দুর্নীতি: ঠিকাদারকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

আপডেট সময় : ০১:০০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনে বড় ধরনের আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ‘কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেড’-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জাহিদুর রহিম জোয়ারদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাকে তলব করা হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক প্রবীর দাসের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল তাকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে বিগত সরকারের শাসনামলে জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়নের কাজ পায় উক্ত প্রতিষ্ঠানটি। অভিযোগ রয়েছে যে, এই প্রকল্পে কয়েকশ কোটি টাকার নয়ছয় হয়েছে এবং বড় অঙ্কের অর্থ পাচার করা হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও সংস্কার কাজের ক্ষেত্রে দুর্নীতির ছায়া দেখা দিলে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানে নামে দুদক।

দুদক কর্মকর্তারা জানান, সংসদের মতো স্পর্শকাতর স্থানে নিম্নমানের সরঞ্জাম ব্যবহার এবং সরকারি অর্থের অপচয়ের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই দুর্নীতির সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং পাচারকৃত অর্থের গন্তব্য সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় এই তদন্ত প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে।