ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে বড় উল্লম্ফন: ১৪ দিনে এলো ১৬০ কোটি ডলার

চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম দুই সপ্তাহেই দেশে প্রবাসী আয়ের পালে হাওয়া লেগেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৬০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রায় ২৫ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৩ ও ১৪ এপ্রিল মাত্র দুই দিনেই দেশে ১৭১ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এছাড়া চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৮১৬ মিলিয়ন ডলারে। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবৃদ্ধির হার ২০ শতাংশেরও বেশি।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর বিষয়ে প্রবাসীদের উৎসাহ বৃদ্ধি এবং সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে এই ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে এবং ডলার সংকট মোকাবিলা করা সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিকিৎসার খোঁজে নিজেই প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে হাজির অসুস্থ কাক!

প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে বড় উল্লম্ফন: ১৪ দিনে এলো ১৬০ কোটি ডলার

আপডেট সময় : ০৯:০৩:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম দুই সপ্তাহেই দেশে প্রবাসী আয়ের পালে হাওয়া লেগেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৬০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রায় ২৫ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৩ ও ১৪ এপ্রিল মাত্র দুই দিনেই দেশে ১৭১ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এছাড়া চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৮১৬ মিলিয়ন ডলারে। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবৃদ্ধির হার ২০ শতাংশেরও বেশি।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর বিষয়ে প্রবাসীদের উৎসাহ বৃদ্ধি এবং সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে এই ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে এবং ডলার সংকট মোকাবিলা করা সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।