ঢাকা ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের বাসের বেপরোয়া গতি নিয়ে ফরাসি সংবাদমাধ্যমের উদ্বেগ

বাংলাদেশের সড়কে বাসের বেপরোয়া গতি এবং বিপজ্জনক প্রতিযোগিতার চিত্র উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ‘ফ্রান্স টুয়েন্টি ফোর’-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যাত্রী ধরার নেশায় চালকদের বেপরোয়া গাড়ি চালানোর প্রবণতা দেশটিতে উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে চালকরা একে অপরের সঙ্গে পাল্লা দেন। ওভারটেকিং, জিগজ্যাগ চালানো এবং রাস্তার পাশ দিয়ে গাড়ি চালানোর মতো ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ এখন নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক সময় যাত্রীরাও চালকদের দ্রুত চালাতে উৎসাহিত করেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনার প্রায় ১২ শতাংশের সঙ্গেই বাসের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। ফিটনেসবিহীন পুরনো যানবাহন এবং চালকদের খামখেয়ালি আচরণকে এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব ঝুঁকিপূর্ণ ড্রাইভিংয়ের ভিডিও ভাইরাল হলেও তা আদতে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলের ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

বাংলাদেশের বাসের বেপরোয়া গতি নিয়ে ফরাসি সংবাদমাধ্যমের উদ্বেগ

আপডেট সময় : ১০:৩০:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের সড়কে বাসের বেপরোয়া গতি এবং বিপজ্জনক প্রতিযোগিতার চিত্র উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ‘ফ্রান্স টুয়েন্টি ফোর’-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যাত্রী ধরার নেশায় চালকদের বেপরোয়া গাড়ি চালানোর প্রবণতা দেশটিতে উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে চালকরা একে অপরের সঙ্গে পাল্লা দেন। ওভারটেকিং, জিগজ্যাগ চালানো এবং রাস্তার পাশ দিয়ে গাড়ি চালানোর মতো ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ এখন নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক সময় যাত্রীরাও চালকদের দ্রুত চালাতে উৎসাহিত করেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনার প্রায় ১২ শতাংশের সঙ্গেই বাসের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। ফিটনেসবিহীন পুরনো যানবাহন এবং চালকদের খামখেয়ালি আচরণকে এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব ঝুঁকিপূর্ণ ড্রাইভিংয়ের ভিডিও ভাইরাল হলেও তা আদতে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।