ঢাকা ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালি সচল রাখতে ইউরোপের বড় উদ্যোগ, জোটে থাকছে না যুক্তরাষ্ট্র

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্য পথ হরমুজ প্রণালিতে পণ্যবাহী নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বড় ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ইউরোপের দেশগুলো। উত্তপ্ত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াই একটি শক্তিশালী জোট গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে তারা। মূলত যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান পাল্টাপাল্টি হুমকির মুখে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সদস্য রাষ্ট্রগুলো। তাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি তেল রপ্তানি এই প্রণালির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতি তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে শুধু ইউরোপের উদ্যোগের ওপর ভরসা না করে কাতার ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলো বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণে তৎপর হয়ে উঠেছে।

কাতার ইতিমধ্যে সমুদ্রপথে সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে, সৌদি আরব তাদের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু করার কথা জানিয়েছে। এই পাইপলাইনটি হরমুজ প্রণালিকে সম্পূর্ণ এড়িয়ে প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনে সক্ষম। এছাড়া দেশটির দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত মানিফা তেলক্ষেত্রটিও জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মূলত নিজেদের অর্থনীতি সচল রাখতে এখন বিকল্প পথ ও নতুন কৌশলই উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রধান ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলের ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

হরমুজ প্রণালি সচল রাখতে ইউরোপের বড় উদ্যোগ, জোটে থাকছে না যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৩:৫০:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্য পথ হরমুজ প্রণালিতে পণ্যবাহী নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বড় ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ইউরোপের দেশগুলো। উত্তপ্ত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াই একটি শক্তিশালী জোট গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে তারা। মূলত যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান পাল্টাপাল্টি হুমকির মুখে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সদস্য রাষ্ট্রগুলো। তাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি তেল রপ্তানি এই প্রণালির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বর্তমান পরিস্থিতি তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে শুধু ইউরোপের উদ্যোগের ওপর ভরসা না করে কাতার ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলো বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণে তৎপর হয়ে উঠেছে।

কাতার ইতিমধ্যে সমুদ্রপথে সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে, সৌদি আরব তাদের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনটি পূর্ণ সক্ষমতায় চালু করার কথা জানিয়েছে। এই পাইপলাইনটি হরমুজ প্রণালিকে সম্পূর্ণ এড়িয়ে প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনে সক্ষম। এছাড়া দেশটির দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত মানিফা তেলক্ষেত্রটিও জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মূলত নিজেদের অর্থনীতি সচল রাখতে এখন বিকল্প পথ ও নতুন কৌশলই উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রধান ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।