জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে নির্বাচন কমিশন। এখন থেকে জন্মসালসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে একক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালককে (ডিজি)। এর ফলে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ক্ষমতা কমিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। আগে নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত সংশোধনের ক্ষমতা অধস্তন কর্মকর্তাদের থাকলেও এখন সব আবেদনই ডিজির দপ্তরে নিষ্পত্তি হবে।
নির্বাচন কমিশনের নতুন প্রবিধানমালা অনুযায়ী, জালিয়াতি ও ভুল তথ্য দিয়ে এনআইডি সংশোধনের প্রবণতা ঠেকাতেই এই কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জন্মতারিখ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে এখন থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) বা সমমানের পরীক্ষার বৈধ সনদ থাকা বাধ্যতামূলক। এছাড়া একাধিক জন্ম নিবন্ধন থাকলে একটি রেখে বাকিগুলো বাতিল করার কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে এর ফলে সাধারণ নাগরিকদের সেবা পেতে কিছুটা দীর্ঘসূত্রতার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কড়াকড়ির পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে নিয়ম সহজও করা হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, বাবা-মায়ের স্থায়ী ঠিকানায় কেউ স্থানান্তরিত হতে চাইলে সেই আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে। এছাড়া ধর্মান্তরিত নাগরিকদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ধর্মগুরুর প্রত্যয়ন থাকলে এনআইডি সংশোধন প্রক্রিয়া সহজ হবে। জালিয়াতি রোধ ও এনআইডি ডাটাবেজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে কমিশন।
রিপোর্টারের নাম 



















