ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

বর্ণাঢ্য আয়োজনে চারুকলায় বৈশাখী শোভাযাত্রা: ‘গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ই এবারের মূল সুর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৯:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী শোভাযাত্রা। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শোভাযাত্রাটি বের করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি পুরো এলাকাকে এক মিলনমেলায় পরিণত করেছে।

এর আগে ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই রাজধানীর রমনার বটমূলে ছায়ানটের প্রভাতী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন বছর ১৪৩৩-কে বরণ করে নেওয়া হয়। সম্মিলিত কণ্ঠে সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠান শেষ হয় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে। এরপরই শুরু হয় চারুকলার মূল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি। শোভাযাত্রাটি চারুকলা থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, রাজু ভাস্কর্য ও দোয়েল চত্বর প্রদক্ষিণ করে পুনরায় চারুকলায় এসে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

এবারের শোভাযাত্রার বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ছিল পাঁচটি বিশাল মোটিফ—মোরগ, হাতি, পায়রা, দোতারা ও ঘোড়া। প্রতিটি শিল্পকর্মই বহন করছে বিশেষ কোনো বার্তা। মোরগ নতুন দিনের জাগরণের প্রতীক, দোতারা লোকসংস্কৃতির ধারক, হাতি ঐতিহ্যের স্মারক এবং পায়রা শান্তির বার্তা দিচ্ছে। ২০১৬ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়া এই আয়োজনকে ঘিরে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

বর্ণাঢ্য আয়োজনে চারুকলায় বৈশাখী শোভাযাত্রা: ‘গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ই এবারের মূল সুর

আপডেট সময় : ১০:৫৯:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী শোভাযাত্রা। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শোভাযাত্রাটি বের করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি পুরো এলাকাকে এক মিলনমেলায় পরিণত করেছে।

এর আগে ভোরের আলো ফোটার সাথে সাথেই রাজধানীর রমনার বটমূলে ছায়ানটের প্রভাতী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন বছর ১৪৩৩-কে বরণ করে নেওয়া হয়। সম্মিলিত কণ্ঠে সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠান শেষ হয় জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে। এরপরই শুরু হয় চারুকলার মূল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি। শোভাযাত্রাটি চারুকলা থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, রাজু ভাস্কর্য ও দোয়েল চত্বর প্রদক্ষিণ করে পুনরায় চারুকলায় এসে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

এবারের শোভাযাত্রার বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ছিল পাঁচটি বিশাল মোটিফ—মোরগ, হাতি, পায়রা, দোতারা ও ঘোড়া। প্রতিটি শিল্পকর্মই বহন করছে বিশেষ কোনো বার্তা। মোরগ নতুন দিনের জাগরণের প্রতীক, দোতারা লোকসংস্কৃতির ধারক, হাতি ঐতিহ্যের স্মারক এবং পায়রা শান্তির বার্তা দিচ্ছে। ২০১৬ সালে ইউনেস্কোর বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়া এই আয়োজনকে ঘিরে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।