ঢাকা ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

মহাসড়কে বেপরোয়া ডাকাত দল: পুলিশের পোশাকে সোনা লুটের ঘটনায় আতঙ্ক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

দেশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতে প্রবাসী, যাত্রীবাহী বাস এবং পণ্যবাহী যানবাহনকে লক্ষ্য করে ডাকাত দলের তৎপরতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে যানজটের সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা সক্রিয় হয়ে উঠছে। অতি সম্প্রতি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়ায় দুই স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পুলিশের পোশাক পরে ১৪৫ ভরি স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুটের ঘটনা জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। যদিও মুন্সিগঞ্জ পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৯৪ ভরি সোনা উদ্ধার ও অভিযুক্তদের আটক করেছে, তবে হাইওয়ে পুলিশের টহল ও থানা থাকা সত্ত্বেও ডাকাতি রোধ না হওয়ায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে।

মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপার ও ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধপ্রবণ এলাকায় বর্তমানে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। বিগত পাঁচ বছরের অপরাধীদের তালিকা ধরে তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ প্রায়ই সঠিক মামলা না নিয়ে সাধারণ জিডি বা ছিনতাইয়ের মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে, যা অপরাধীদের পার পেয়ে যেতে সহায়তা করে। এছাড়া ডাকাতরা জামিনে বেরিয়ে পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, আইনি জটিলতা এড়াতে অনেক সময় ভুক্তভোগীরা মামলা করতে অনীহা প্রকাশ করেন, যার ফলে প্রকৃত অপরাধের ভয়াবহতা আড়ালে থেকে যাচ্ছে। মহাসড়কে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের কঠোর পদক্ষেপের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

বিপিএল মহারণ: আজ সিলেট-রংপুর, ঢাকা-রাজশাহী; টিভিতে কখন দেখবেন?

মহাসড়কে বেপরোয়া ডাকাত দল: পুলিশের পোশাকে সোনা লুটের ঘটনায় আতঙ্ক

আপডেট সময় : ০৪:০৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতে প্রবাসী, যাত্রীবাহী বাস এবং পণ্যবাহী যানবাহনকে লক্ষ্য করে ডাকাত দলের তৎপরতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে যানজটের সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা সক্রিয় হয়ে উঠছে। অতি সম্প্রতি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের গজারিয়ায় দুই স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পুলিশের পোশাক পরে ১৪৫ ভরি স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুটের ঘটনা জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। যদিও মুন্সিগঞ্জ পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৯৪ ভরি সোনা উদ্ধার ও অভিযুক্তদের আটক করেছে, তবে হাইওয়ে পুলিশের টহল ও থানা থাকা সত্ত্বেও ডাকাতি রোধ না হওয়ায় জনমনে ক্ষোভ বাড়ছে।

মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপার ও ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধপ্রবণ এলাকায় বর্তমানে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। বিগত পাঁচ বছরের অপরাধীদের তালিকা ধরে তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ প্রায়ই সঠিক মামলা না নিয়ে সাধারণ জিডি বা ছিনতাইয়ের মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে, যা অপরাধীদের পার পেয়ে যেতে সহায়তা করে। এছাড়া ডাকাতরা জামিনে বেরিয়ে পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, আইনি জটিলতা এড়াতে অনেক সময় ভুক্তভোগীরা মামলা করতে অনীহা প্রকাশ করেন, যার ফলে প্রকৃত অপরাধের ভয়াবহতা আড়ালে থেকে যাচ্ছে। মহাসড়কে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের কঠোর পদক্ষেপের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।