ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন হলে দুই দেশ আবারও পরস্পরের অংশীদার হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। রবিবার (১১ জানুয়ারি) মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকের শুরুতে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। হিব্রু সংবাদমাধ্যমের বরাতে টাইমস অব ইসরায়েল এ খবর জানিয়েছে।
ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়া এবং নিহতের সংখ্যা বাড়তে থাকার প্রেক্ষাপটে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা ইরানের বীর ও সাহসী নাগরিকদের শক্তি জোগাচ্ছি। বর্তমান শাসনের পতন হলে আমরা দুই দেশের জনগণের কল্যাণে একসঙ্গে ভালো কিছু করব।’
নেতানিয়াহু আরও বলেন, ‘আমরা সবাই আশা করি যে পারস্য জাতি খুব শিগগিরই এই স্বৈরাচারের জোয়াল থেকে মুক্তি পাবে। আর যখন সেই দিনটি আসবে, তখন ইসরায়েল এবং ইরান সমৃদ্ধি ও শান্তির ভবিষ্যৎ গড়ার পথে আবারও বিশ্বস্ত অংশীদার হবে।’
এদিকে, আজ সকালেই ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার এক হুঁশিয়ারিতে জানিয়েছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর কোনও ধরনের হামলা চালায়, তবে ইরান ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানবে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হস্তক্ষেপের আশঙ্কায় ইসরায়েল বর্তমানে উচ্চ সতর্কতায় (হাই অ্যালার্ট) রয়েছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) চিফ অব স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির শনিবার ইরানের বিক্ষোভ পরিস্থিতি নিয়ে বিশেষ মূল্যায়ন বৈঠক করেছেন।
তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার বিষয়ে ইরানের সাম্প্রতিক হুমকির পর সামরিক বাহিনীকে অপারেশনালভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং প্রয়োজনে পাল্টা জবাব দিতে আইডিএফ পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















