ঢাকা ০৬:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগে তীব্র প্রতিযোগিতা, ২ হাজার ৭০৩ পদের বিপরীতে সোয়া লাখ আবেদন

বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে যোগ দিতে দেশজুড়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে। এবারের নিয়োগে মাত্র ২ হাজার ৭০৩টি শূন্য পদের বিপরীতে ১ লাখ ২৬ হাজারেরও বেশি প্রার্থী আবেদন করেছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিটি পদের জন্য গড়ে প্রায় ৪৭ জন চাকরিপ্রত্যাশী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সী বিশাল সংখ্যক আবেদনকারী বর্তমানে শারীরিক সক্ষমতা যাচাইসহ পরবর্তী ধাপের পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থীদেরই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হবে। জননিরাপত্তা জোরদার এবং দীর্ঘদিনের জনবল সংকট নিরসনে সরকারের বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

নিয়োগ কার্যক্রমকে প্রভাবমুক্ত ও স্বচ্ছ রাখতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ প্রশাসন। কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা তদবিরকে প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া দালালচক্রের অপতৎপরতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। কোনো প্রার্থীর তথ্যে গরমিল পাওয়া গেলে আবেদনের পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূমধ্যসাগরে মৃত্যুঝুঁকি ও লিবিয়ার ‘গেম ঘরে’ বন্দি বাংলাদেশিরা

পুলিশ কনস্টেবল পদে নিয়োগে তীব্র প্রতিযোগিতা, ২ হাজার ৭০৩ পদের বিপরীতে সোয়া লাখ আবেদন

আপডেট সময় : ০৩:০৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে যোগ দিতে দেশজুড়ে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে। এবারের নিয়োগে মাত্র ২ হাজার ৭০৩টি শূন্য পদের বিপরীতে ১ লাখ ২৬ হাজারেরও বেশি প্রার্থী আবেদন করেছেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতিটি পদের জন্য গড়ে প্রায় ৪৭ জন চাকরিপ্রত্যাশী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ১৮ থেকে ২০ বছর বয়সী বিশাল সংখ্যক আবেদনকারী বর্তমানে শারীরিক সক্ষমতা যাচাইসহ পরবর্তী ধাপের পরীক্ষার জন্য অপেক্ষা করছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থীদেরই চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হবে। জননিরাপত্তা জোরদার এবং দীর্ঘদিনের জনবল সংকট নিরসনে সরকারের বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

নিয়োগ কার্যক্রমকে প্রভাবমুক্ত ও স্বচ্ছ রাখতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ প্রশাসন। কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা তদবিরকে প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করা হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া দালালচক্রের অপতৎপরতা রোধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। কোনো প্রার্থীর তথ্যে গরমিল পাওয়া গেলে আবেদনের পাশাপাশি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।