ঢাকা ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তাকে স্মরণ করা হয়েছে। শনিবার ভাসানী জনশক্তি পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়। ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলুর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মরহুমের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।

স্মরণ সভায় বক্তারা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর কর্মময় জীবনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, তিনি ছিলেন দেশের স্বাস্থ্য খাতের এক অনন্য দিশারি। ১৯৮২ সালের ঐতিহাসিক জাতীয় ঔষধ নীতি প্রণয়নে তার সাহসী ভূমিকা বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পকে স্বাবলম্বী করেছে এবং সাধারণ মানুষের কাছে মানসম্মত ওষুধ পৌঁছে দিয়েছে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, গণবিশ্ববিদ্যালয় ও গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে তিনি চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার এক অনন্য মাইলফলক স্থাপন করেছেন।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী কেবল একজন চিকিৎসকই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন আজীবন এক সংগ্রামী ও দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি সবসময় রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়েও এই মহান দেশপ্রেমিকের অবদানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ মূল্যায়ন করার দাবি জানান তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শর্ত না মানলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা বাতিলের হুঁশিয়ারি ইরানের

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

আপডেট সময় : ০২:০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তাকে স্মরণ করা হয়েছে। শনিবার ভাসানী জনশক্তি পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়। ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলুর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মরহুমের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।

স্মরণ সভায় বক্তারা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর কর্মময় জীবনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, তিনি ছিলেন দেশের স্বাস্থ্য খাতের এক অনন্য দিশারি। ১৯৮২ সালের ঐতিহাসিক জাতীয় ঔষধ নীতি প্রণয়নে তার সাহসী ভূমিকা বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পকে স্বাবলম্বী করেছে এবং সাধারণ মানুষের কাছে মানসম্মত ওষুধ পৌঁছে দিয়েছে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, গণবিশ্ববিদ্যালয় ও গণস্বাস্থ্য হাসপাতালের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে তিনি চিকিৎসাসেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার এক অনন্য মাইলফলক স্থাপন করেছেন।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী কেবল একজন চিকিৎসকই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন আজীবন এক সংগ্রামী ও দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে এবং ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তিনি সবসময় রাজপথে সক্রিয় ছিলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়েও এই মহান দেশপ্রেমিকের অবদানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ মূল্যায়ন করার দাবি জানান তারা।