লেবাননে সামরিক অভিযান ও অব্যাহত বিমান হামলা নিয়ে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ—উভয় দিক থেকেই প্রবল চাপের মুখে পড়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে বৈরুতে হামলা বন্ধের কড়া বার্তার পর এই চাপ আরও ঘনীভূত হয়েছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে অবিলম্বে বৈরুতে আক্রমণ বন্ধ করে লেবানন সরকারের সঙ্গে সংলাপে বসার নির্দেশ দিয়েছেন।
অন্যদিকে, লেবানন সরকারও যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে ইরানের মধ্যস্থতার ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে সরাসরি আলোচনার পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছে। যদিও যুদ্ধের ময়দানে এখনো দুই পক্ষই অনড় অবস্থানে রয়েছে, ফলে আলোচনার প্রাথমিক পর্যায়ে বড় কোনো সাফল্যের সম্ভাবনা ক্ষীণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে চলমান হামলার মধ্যেই আলোচনার শর্ত নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
কেবল আন্তর্জাতিক অঙ্গনেই নয়, খোদ ইসরায়েলের অভ্যন্তরেও জনমত হারাচ্ছেন নেতানিয়াহু। সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলো বলছে, তার লিকুদ পার্টির তুলনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। চলমান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়া এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোটের ভিত্তি ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে পড়ছে, যা তাকে আগামী নির্বাচনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 
























