ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমন: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ছে

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। মধ্যস্থতাকারীদের দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলে দুই দেশ পুনরায় আলোচনায় বসতে এবং যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করতে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে বলে জানা গেছে। বুধবার ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ২২ এপ্রিল বর্তমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই একটি টেকসই সমাধানে পৌঁছাতে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। গত সপ্তাহের শেষদিকে ভেস্তে যাওয়া সরাসরি আলোচনাকে পুনরায় সচল করতে বর্তমানে তিনটি প্রধান অমীমাংসিত বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়টি।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয় পক্ষই সংঘাত এড়াতে নমনীয় অবস্থান দেখাচ্ছে। আগামী সপ্তাহের শুরুতেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সমঝোতা কার্যকর হলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে এটি একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টিভির পর্দায় আজকের খেলা: পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ও স্পেন-অস্ট্রিয়ার হাইভোল্টেজ লড়াই

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমন: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ছে

আপডেট সময় : ০৭:৪৮:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। মধ্যস্থতাকারীদের দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলে দুই দেশ পুনরায় আলোচনায় বসতে এবং যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করতে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে বলে জানা গেছে। বুধবার ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ২২ এপ্রিল বর্তমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই একটি টেকসই সমাধানে পৌঁছাতে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। গত সপ্তাহের শেষদিকে ভেস্তে যাওয়া সরাসরি আলোচনাকে পুনরায় সচল করতে বর্তমানে তিনটি প্রধান অমীমাংসিত বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি বাবদ ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়টি।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয় পক্ষই সংঘাত এড়াতে নমনীয় অবস্থান দেখাচ্ছে। আগামী সপ্তাহের শুরুতেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সমঝোতা কার্যকর হলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে এটি একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।