ঢাকা ০৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড় দেওয়ার খবর অস্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের জব্দ করা বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজি হওয়ার খবরটি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে হোয়াইট হাউস। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তাদের এই অবস্থানের কথা জানানো হয়। এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্স একটি ইরানি সূত্রের বরাতে দাবি করেছিল যে, কাতারসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে থাকা ইরানের অর্থ ছাড় দিতে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন।

হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সম্পদ ছাড় দেওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এই অস্বীকারের ফলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য কূটনৈতিক আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে পুনরায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে পরমাণু চুক্তি বা অন্যান্য দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার ক্ষেত্রে এই সম্পদ অবমুক্ত করার বিষয়টি একটি বড় শর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মাধ্যমে ইরান তাদের পাওনা অর্থ ফিরে পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী। তবে মার্কিন প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমার সম্ভাবনা আপাতত ক্ষীণ বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের সময় বাঁচাতে প্রতিটি উপজেলায় হচ্ছে আধুনিক পরীক্ষা কেন্দ্র

ইরানের জব্দ করা সম্পদ ছাড় দেওয়ার খবর অস্বীকার করল যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৬:১২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের জব্দ করা বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজি হওয়ার খবরটি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে হোয়াইট হাউস। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তাদের এই অবস্থানের কথা জানানো হয়। এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্স একটি ইরানি সূত্রের বরাতে দাবি করেছিল যে, কাতারসহ বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে থাকা ইরানের অর্থ ছাড় দিতে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন।

হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সম্পদ ছাড় দেওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এই অস্বীকারের ফলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য কূটনৈতিক আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে পুনরায় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে পরমাণু চুক্তি বা অন্যান্য দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার ক্ষেত্রে এই সম্পদ অবমুক্ত করার বিষয়টি একটি বড় শর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মাধ্যমে ইরান তাদের পাওনা অর্থ ফিরে পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী। তবে মার্কিন প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানে দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমার সম্ভাবনা আপাতত ক্ষীণ বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।