ঢাকা ০৯:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

দীর্ঘ ৪৬ বছরের অচলাবস্থা ভেঙে ইসলামাবাদে বৈঠকে বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

প্রায় পাঁচ দশকের বৈরিতা কাটিয়ে এক ঐতিহাসিক কূটনৈতিক আলোচনায় বসতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আজ বিকেলে উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই দেশ দুটির মধ্যে সরাসরি সর্বোচ্চ পর্যায়ের আনুষ্ঠানিক সংলাপ।

মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। প্রতিনিধিদলে আরও রয়েছেন মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সেনাপ্রধান তাদের স্বাগত জানিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তপ্ত পরিস্থিতি এবং লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক যুদ্ধের পর এই বৈঠকটি বিশ্ব ভূ-রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। পাকিস্তান এই শান্তি প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। বিশ্বনেতারা আশা করছেন, এই আলোচনার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-তুরস্ক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে জোর: বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে তুর্কি রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

দীর্ঘ ৪৬ বছরের অচলাবস্থা ভেঙে ইসলামাবাদে বৈঠকে বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

আপডেট সময় : ০৪:৫৪:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

প্রায় পাঁচ দশকের বৈরিতা কাটিয়ে এক ঐতিহাসিক কূটনৈতিক আলোচনায় বসতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আজ বিকেলে উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই দেশ দুটির মধ্যে সরাসরি সর্বোচ্চ পর্যায়ের আনুষ্ঠানিক সংলাপ।

মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। প্রতিনিধিদলে আরও রয়েছেন মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সেনাপ্রধান তাদের স্বাগত জানিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তপ্ত পরিস্থিতি এবং লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক যুদ্ধের পর এই বৈঠকটি বিশ্ব ভূ-রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। পাকিস্তান এই শান্তি প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। বিশ্বনেতারা আশা করছেন, এই আলোচনার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটবে।