ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামে নজিরবিহীন লোডশেডিং: জনজীবন বিপর্যস্ত, থমকে আছে চিকিৎসাসেবা

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে গত তিন দিন ধরে চলা ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিভ্রাটে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। নগরের বিভিন্ন এলাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ মিলছে, তাও আবার কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি ছাড়াই। হঠাৎ আসা আর দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার এই অনিশ্চয়তায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা।

নগরের খুলশী, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, বায়েজিদ ও পতেঙ্গার মতো এলাকাগুলোতে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিনে-রাতে কয়েকবার বিদ্যুৎ গেলেও তা ফিরে আসার কোনো নিশ্চয়তা থাকছে না। এতে করে বাসাবাড়িতে রাখা খাবার নষ্ট হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। বিশেষ করে ছোট শিশুদের নিয়ে অভিভাবকরা পড়েছেন চরম বিপাকে।

বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের চিকিৎসাসেবা ও ব্যবসা-বাণিজ্যেও। বড় হাসপাতালগুলোতে জেনারেটর দিয়ে জরুরি কাজ চালানো হলেও ছোট ক্লিনিকগুলোতে ল্যাব টেস্ট ও নেবুলাইজার সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ব্যাংকিং সেবা ও অনলাইন কার্যক্রমেও ধীরগতি দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, জেনারেটর চালাতে গিয়ে অতিরিক্ত জ্বালানি খরচের কারণে তাদের লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিকিৎসার খোঁজে নিজেই প্রাণিসম্পদ হাসপাতালে হাজির অসুস্থ কাক!

চট্টগ্রামে নজিরবিহীন লোডশেডিং: জনজীবন বিপর্যস্ত, থমকে আছে চিকিৎসাসেবা

আপডেট সময় : ০৯:০২:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে গত তিন দিন ধরে চলা ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিভ্রাটে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। নগরের বিভিন্ন এলাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র কয়েক ঘণ্টা বিদ্যুৎ মিলছে, তাও আবার কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি ছাড়াই। হঠাৎ আসা আর দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার এই অনিশ্চয়তায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা।

নগরের খুলশী, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, বায়েজিদ ও পতেঙ্গার মতো এলাকাগুলোতে পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিনে-রাতে কয়েকবার বিদ্যুৎ গেলেও তা ফিরে আসার কোনো নিশ্চয়তা থাকছে না। এতে করে বাসাবাড়িতে রাখা খাবার নষ্ট হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। বিশেষ করে ছোট শিশুদের নিয়ে অভিভাবকরা পড়েছেন চরম বিপাকে।

বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের চিকিৎসাসেবা ও ব্যবসা-বাণিজ্যেও। বড় হাসপাতালগুলোতে জেনারেটর দিয়ে জরুরি কাজ চালানো হলেও ছোট ক্লিনিকগুলোতে ল্যাব টেস্ট ও নেবুলাইজার সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ব্যাংকিং সেবা ও অনলাইন কার্যক্রমেও ধীরগতি দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, জেনারেটর চালাতে গিয়ে অতিরিক্ত জ্বালানি খরচের কারণে তাদের লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে।