ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

পাকিস্তান-ইরান বৈঠক: জব্দ করা সম্পদ ছাড়তে রাজি হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছে ইরানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলটি শনিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এক মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেয়। এই আলোচনার মধ্যেই ইরানের জন্য একটি ইতিবাচক খবর সামনে এসেছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, আলোচনার শর্ত হিসেবে ইরান তাদের জব্দ করা সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়ার যে দাবি জানিয়েছিল, তাতে যুক্তরাষ্ট্র প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছে।

পাকিস্তান এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। অতীতেও তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে ইসলামাবাদ কার্যকর ভূমিকা রেখেছিল। এবারও পাকিস্তানি কর্মকর্তারা দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি বা পরোক্ষ যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করছেন। ইরানের স্পিকার গালিবাফ স্পষ্ট করেছেন যে, যেকোনো আলোচনার আগে ইরানের আটকে থাকা অর্থ অবমুক্ত করা একটি আবশ্যকীয় শর্ত।

যদিও ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করছে যে যুক্তরাষ্ট্র সম্পদ ছাড় দিতে রাজি হয়েছে, তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। এই সম্পদ অবমুক্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত হলে তা দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বরফ গলে যাওয়ার প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-তুরস্ক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে জোর: বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে তুর্কি রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

পাকিস্তান-ইরান বৈঠক: জব্দ করা সম্পদ ছাড়তে রাজি হতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছে ইরানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলটি শনিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এক মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেয়। এই আলোচনার মধ্যেই ইরানের জন্য একটি ইতিবাচক খবর সামনে এসেছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, আলোচনার শর্ত হিসেবে ইরান তাদের জব্দ করা সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়ার যে দাবি জানিয়েছিল, তাতে যুক্তরাষ্ট্র প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছে।

পাকিস্তান এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। অতীতেও তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমনে ইসলামাবাদ কার্যকর ভূমিকা রেখেছিল। এবারও পাকিস্তানি কর্মকর্তারা দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি বা পরোক্ষ যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করছেন। ইরানের স্পিকার গালিবাফ স্পষ্ট করেছেন যে, যেকোনো আলোচনার আগে ইরানের আটকে থাকা অর্থ অবমুক্ত করা একটি আবশ্যকীয় শর্ত।

যদিও ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করছে যে যুক্তরাষ্ট্র সম্পদ ছাড় দিতে রাজি হয়েছে, তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। এই সম্পদ অবমুক্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত হলে তা দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বরফ গলে যাওয়ার প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচিত হবে।