ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

কেন প্রতিনিধিদলের নাম ‘মিনাব ১৬৮’ রাখল ইরান? নেপথ্যে যে করুণ ইতিহাস

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান উত্তেজনা নিরসনে পাকিস্তানে অবস্থানরত ইরানি প্রতিনিধিদলের নামকরণ নিয়ে বিশ্বজুড়ে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। ইরান তাদের এই প্রতিনিধিদলের নাম রেখেছে ‘মিনাব ১৬৮’। মূলত বিগত দিনগুলোতে বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হামলার প্রতিবাদ এবং বিশ্ববাসীকে একটি বিশেষ বার্তা দিতেই এই নামকরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, ‘মিনাব ১৬৮’ নামটি একটি গভীর শোকাবহ ঘটনার প্রতীক। ইরানের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালানো হামলায় ১৬৮ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক প্রাণ হারিয়েছিলেন। সেই দুঃসহ স্মৃতিকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতেই এই নাম নির্বাচন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইরান বোঝাতে চাইছে যে, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ফলে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নিরপরাধ শিশুরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের ৮০০টিরও বেশি স্কুল, ৩০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অসংখ্য স্বাস্থ্যকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই আলোচনার মাধ্যমে ইরান যেমন বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়, তেমনি কূটনৈতিক উপায়ে সংকট নিরসনের একটি সুযোগও তৈরি করতে আগ্রহী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-তুরস্ক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে জোর: বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে তুর্কি রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

কেন প্রতিনিধিদলের নাম ‘মিনাব ১৬৮’ রাখল ইরান? নেপথ্যে যে করুণ ইতিহাস

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান উত্তেজনা নিরসনে পাকিস্তানে অবস্থানরত ইরানি প্রতিনিধিদলের নামকরণ নিয়ে বিশ্বজুড়ে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। ইরান তাদের এই প্রতিনিধিদলের নাম রেখেছে ‘মিনাব ১৬৮’। মূলত বিগত দিনগুলোতে বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হামলার প্রতিবাদ এবং বিশ্ববাসীকে একটি বিশেষ বার্তা দিতেই এই নামকরণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, ‘মিনাব ১৬৮’ নামটি একটি গভীর শোকাবহ ঘটনার প্রতীক। ইরানের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালানো হামলায় ১৬৮ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক প্রাণ হারিয়েছিলেন। সেই দুঃসহ স্মৃতিকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতেই এই নাম নির্বাচন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইরান বোঝাতে চাইছে যে, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ফলে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নিরপরাধ শিশুরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের ৮০০টিরও বেশি স্কুল, ৩০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয় এবং অসংখ্য স্বাস্থ্যকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই আলোচনার মাধ্যমে ইরান যেমন বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়, তেমনি কূটনৈতিক উপায়ে সংকট নিরসনের একটি সুযোগও তৈরি করতে আগ্রহী।