ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে পারমাণবিক অস্ত্র মেনে নেওয়া হবে না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে নিজের অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাকিস্তানে শুরু হতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংলাপের প্রাক্কালে তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে যেকোনো চুক্তির প্রধান শর্ত হবে ‘কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নয়’। ইসলামাবাদে আলোচনায় অংশ নিতে যাওয়া মার্কিন প্রতিনিধিদল ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে তিনি শুভকামনা জানিয়েছেন।

ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে এই আলোচনা কতদূর এগোবে বা এর ভবিষ্যৎ কী, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই পরিস্থিতির জন্য তার কাছে কোনো ‘বিকল্প পরিকল্পনা’ বা প্ল্যান-বি নেই এবং এর প্রয়োজনও তিনি বোধ করছেন না। তার মতে, ইরানে ইতিমধ্যে এক ধরনের শাসনতান্ত্রিক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে।

হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও জাহাজ চলাচল নিয়ে ট্রাম্প কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি দাবি করেন, ইরানের সহযোগিতা থাকুক বা না থাকুক, যুক্তরাষ্ট্র খুব দ্রুতই এই আন্তর্জাতিক নৌপথটি উন্মুক্ত করে দেবে। প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ইরানের শুল্ক আরোপের পরিকল্পনার খবর নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন এমন কোনো পদক্ষেপ কখনোই হতে দেবে না। ট্রাম্পের এই মন্তব্যগুলো ইরান ইস্যুতে তার প্রশাসনের আগামী দিনের কঠোর নীতিরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-তুরস্ক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে জোর: বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে তুর্কি রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে পারমাণবিক অস্ত্র মেনে নেওয়া হবে না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

আপডেট সময় : ০১:৩২:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে নিজের অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাকিস্তানে শুরু হতে যাওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংলাপের প্রাক্কালে তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে যেকোনো চুক্তির প্রধান শর্ত হবে ‘কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নয়’। ইসলামাবাদে আলোচনায় অংশ নিতে যাওয়া মার্কিন প্রতিনিধিদল ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে তিনি শুভকামনা জানিয়েছেন।

ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে এই আলোচনা কতদূর এগোবে বা এর ভবিষ্যৎ কী, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই পরিস্থিতির জন্য তার কাছে কোনো ‘বিকল্প পরিকল্পনা’ বা প্ল্যান-বি নেই এবং এর প্রয়োজনও তিনি বোধ করছেন না। তার মতে, ইরানে ইতিমধ্যে এক ধরনের শাসনতান্ত্রিক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে।

হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও জাহাজ চলাচল নিয়ে ট্রাম্প কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি দাবি করেন, ইরানের সহযোগিতা থাকুক বা না থাকুক, যুক্তরাষ্ট্র খুব দ্রুতই এই আন্তর্জাতিক নৌপথটি উন্মুক্ত করে দেবে। প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ইরানের শুল্ক আরোপের পরিকল্পনার খবর নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন এমন কোনো পদক্ষেপ কখনোই হতে দেবে না। ট্রাম্পের এই মন্তব্যগুলো ইরান ইস্যুতে তার প্রশাসনের আগামী দিনের কঠোর নীতিরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।