ঢাকা ১১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা: পেন্টাগনের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ সেনাদের

কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হওয়া ইরানি ড্রোন হামলায় বেঁচে যাওয়া সেনারা মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের দেওয়া বিবৃতির তীব্র বিরোধিতা করেছেন। গত ১ মার্চের ওই হামলায় ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত এবং ২০ জনেরও বেশি আহত হয়েছিলেন। পেন্টাগন ওই সময় দাবি করেছিল যে, ঘাঁটিটি সুরক্ষিত ছিল। তবে ভুক্তভোগী সেনারা বলছেন, তারা সম্পূর্ণ অরক্ষিত অবস্থায় ছিলেন।

হামলার শিকার হওয়া সেনারা জানান, তাদের ইউনিটটিকে এমন একটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রাখা হয়েছিল যা সরাসরি ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার মধ্যে ছিল। হামলার ঠিক আধা ঘণ্টা আগে ‘সবকিছু স্বাভাবিক’ সংকেত দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে সেনারা নিরাপদ আশ্রয়ের কথা ভাবেননি। হঠাৎ হামলায় পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

সেনাদের অভিযোগ, হামলার পর উদ্ধার তৎপরতাতেও বড় ধরনের ঘাটতি ছিল। আহত সেনারা নিজেরাই নিজেদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং বেসামরিক গাড়িতে করে হাসপাতালে পৌঁছান। পেন্টাগন সেনাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তার দাবি করলেও বাস্তব চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন বলে দাবি করেছেন তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্বে মধ্যস্থতায় তেহরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা: পেন্টাগনের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ সেনাদের

আপডেট সময় : ১০:০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হওয়া ইরানি ড্রোন হামলায় বেঁচে যাওয়া সেনারা মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের দেওয়া বিবৃতির তীব্র বিরোধিতা করেছেন। গত ১ মার্চের ওই হামলায় ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত এবং ২০ জনেরও বেশি আহত হয়েছিলেন। পেন্টাগন ওই সময় দাবি করেছিল যে, ঘাঁটিটি সুরক্ষিত ছিল। তবে ভুক্তভোগী সেনারা বলছেন, তারা সম্পূর্ণ অরক্ষিত অবস্থায় ছিলেন।

হামলার শিকার হওয়া সেনারা জানান, তাদের ইউনিটটিকে এমন একটি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় রাখা হয়েছিল যা সরাসরি ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লার মধ্যে ছিল। হামলার ঠিক আধা ঘণ্টা আগে ‘সবকিছু স্বাভাবিক’ সংকেত দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে সেনারা নিরাপদ আশ্রয়ের কথা ভাবেননি। হঠাৎ হামলায় পুরো এলাকা ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

সেনাদের অভিযোগ, হামলার পর উদ্ধার তৎপরতাতেও বড় ধরনের ঘাটতি ছিল। আহত সেনারা নিজেরাই নিজেদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং বেসামরিক গাড়িতে করে হাসপাতালে পৌঁছান। পেন্টাগন সেনাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তার দাবি করলেও বাস্তব চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন বলে দাবি করেছেন তারা।