ঢাকা ০৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

ঢাবিতে অনশনরত শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার অবনতি, শয্যাপাশে উপাচার্য

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য চত্বরে টানা ৫৮ ঘণ্টা ধরে অনশনরত দুই শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনকভাবে অবনতি হয়েছে। শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম আন্দোলনস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রতি সমবেদনা জানান।

এ সময় উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং তারা চায় না কোনো শিক্ষার্থীর শারীরিক ক্ষতি হোক। তিনি শিক্ষার্থীদের অনশন ভেঙে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তাদের দাবিগুলো সরকারের যথাযথ পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হবে। এই বিষয়ে জাতীয় সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে এর আগে চিকিৎসক দল পাঠানো হলেও তারা চিকিৎসা নিতে অনাগ্রহ দেখান। উপাচার্যের পরিদর্শনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. সাইমা হক বিদিশা, প্রক্টর এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা উপস্থিত ছিলেন। অনশনস্থলে উপস্থিত শহিদ ফারহান ফাইয়াজের বাবাসহ অন্যান্য আহত ব্যক্তিরা শিক্ষার্থীদের মানসিক দৃঢ়তার প্রশংসা করলেও দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও রাষ্ট্রীয় কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না আসায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূমধ্যসাগরে মৃত্যুঝুঁকি ও লিবিয়ার ‘গেম ঘরে’ বন্দি বাংলাদেশিরা

ঢাবিতে অনশনরত শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার অবনতি, শয্যাপাশে উপাচার্য

আপডেট সময় : ০১:৪৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য চত্বরে টানা ৫৮ ঘণ্টা ধরে অনশনরত দুই শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনকভাবে অবনতি হয়েছে। শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম আন্দোলনস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তাদের প্রতি সমবেদনা জানান।

এ সময় উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং তারা চায় না কোনো শিক্ষার্থীর শারীরিক ক্ষতি হোক। তিনি শিক্ষার্থীদের অনশন ভেঙে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তাদের দাবিগুলো সরকারের যথাযথ পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হবে। এই বিষয়ে জাতীয় সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে এর আগে চিকিৎসক দল পাঠানো হলেও তারা চিকিৎসা নিতে অনাগ্রহ দেখান। উপাচার্যের পরিদর্শনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. সাইমা হক বিদিশা, প্রক্টর এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা উপস্থিত ছিলেন। অনশনস্থলে উপস্থিত শহিদ ফারহান ফাইয়াজের বাবাসহ অন্যান্য আহত ব্যক্তিরা শিক্ষার্থীদের মানসিক দৃঢ়তার প্রশংসা করলেও দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও রাষ্ট্রীয় কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না আসায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।