আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নকলমুক্ত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এমপি। শুক্রবার (তারিখ উল্লেখ নেই) চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড এবং ওই অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডগুলোর কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে এক জুম মিটিংয়ে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে কোনো প্রকার অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক সৃষ্টি করা যাবে না। প্রতিটি পরীক্ষা কক্ষে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসি ক্যামেরা) স্থাপনের উদ্যোগ নিতে হবে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মতো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিরবচ্ছিন্ন পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে বিকল্প হিসেবে আইপিএস ব্যবহারের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকার পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণেও এই ব্যবস্থা সহায়ক হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শিক্ষকদের সহযোগিতায় ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত পাবলিক পরীক্ষায় নকল বন্ধ করা সম্ভব হয়েছিল উল্লেখ করে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এবারও শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নকলমুক্ত পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব হবে। তিনি শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, তারা যেন নির্ভয়ে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
খাতা মূল্যায়ন প্রসঙ্গে পরীক্ষকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী নির্দেশ দেন যে, খাতায় যা-ই লেখা থাকুক না কেন, সঠিক উত্তর যাচাই করেই নম্বর দিতে হবে। কোনোভাবেই অতিরিক্ত বা কম নম্বর দেওয়া যাবে না। প্রশ্নপত্র ফাঁসকে একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং এবারও তা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে। এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।
আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন এবং একটি মেধাবী জাতি গঠনে সকলকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সব কেন্দ্র সচিব উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 



















