ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

হরমুজ প্রণালীতে ২০ কোটি ডলারের মার্কিন ড্রোন নিখোঁজ: উত্তেজনা বৃদ্ধি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৫:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

হরমুজ প্রণালি এলাকায় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি অত্যাধুনিক নজরদারি ড্রোন, এমকিউ-৪সি ট্রাইটন, নিখোঁজ হয়েছে। আজ শুক্রবার উড্ডয়নের পর জরুরি সতর্কতা জারির কিছুক্ষণ পরেই ড্রোনটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশেষ ড্রোনটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল, যার মূল্য ২০ কোটি ডলারের বেশি।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ড্রোনটি পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালির উপর প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। ধারণা করা হচ্ছে, নজরদারি শেষে এটি নিজ ঘাঁটিতে ফিরছিল। তবে, ইরানের দিকে সামান্য মোড় নেওয়ার সময় ড্রোনটি জরুরি অবস্থার সংকেত (কোড ৭৭০০) পাঠায় এবং দ্রুত উচ্চতা হারাতে শুরু করে। এরপরই ড্রোনটি নিখোঁজ হয়ে যায়।

ড্রোনটি কি বিধ্বস্ত হয়েছে নাকি অন্য কোনো কারণে এটি ভূপাতিত হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এই ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্প্রতি যুদ্ধবিরতিতে সমঝোতা হওয়ার পর ঘটল, যা অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুর সীমান্তে বিজিবির সাহসী পদক্ষেপ: বিএসএফের হুমকির কড়া জবাব, প্রশংসা কুড়াচ্ছে জওয়ানরা

হরমুজ প্রণালীতে ২০ কোটি ডলারের মার্কিন ড্রোন নিখোঁজ: উত্তেজনা বৃদ্ধি

আপডেট সময় : ০২:২৫:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালি এলাকায় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি অত্যাধুনিক নজরদারি ড্রোন, এমকিউ-৪সি ট্রাইটন, নিখোঁজ হয়েছে। আজ শুক্রবার উড্ডয়নের পর জরুরি সতর্কতা জারির কিছুক্ষণ পরেই ড্রোনটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশেষ ড্রোনটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল, যার মূল্য ২০ কোটি ডলারের বেশি।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ড্রোনটি পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালির উপর প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। ধারণা করা হচ্ছে, নজরদারি শেষে এটি নিজ ঘাঁটিতে ফিরছিল। তবে, ইরানের দিকে সামান্য মোড় নেওয়ার সময় ড্রোনটি জরুরি অবস্থার সংকেত (কোড ৭৭০০) পাঠায় এবং দ্রুত উচ্চতা হারাতে শুরু করে। এরপরই ড্রোনটি নিখোঁজ হয়ে যায়।

ড্রোনটি কি বিধ্বস্ত হয়েছে নাকি অন্য কোনো কারণে এটি ভূপাতিত হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এই ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্প্রতি যুদ্ধবিরতিতে সমঝোতা হওয়ার পর ঘটল, যা অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে।