ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ব্যাংক গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের দায়ে সাবেক ব্যবস্থাপকের ১৫ বছরের কারাদণ্ড

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের দায়ে রুপালী ব্যাংক পিএলসি সোনাইমুড়ী শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মো. বেলায়েত হোসেনকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো. শওকত আলী এই রায় ঘোষণা করেন। বেলায়েত হোসেন সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ গ্রামের মৃত আব্দুর রবের ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বেলায়েত হোসেন ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত রুপালী ব্যাংক পিএলসি সোনাইমুড়ী শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ে তিনি ৫৬ জন গ্রাহকের স্বাক্ষর জাল করে নগদ তিন কোটি ৩৯ লক্ষ ৯৭ হাজার ৯৪ টাকা উত্তোলন ও স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাত করেন, যা দুদকের প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করে দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. হোসাইন শরীফ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আদালতে মামলাটি পরিচালনা করেন নোয়াখালী দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জহির উদ্দিন। তিনি জানান, আদালত ৫৬ জন গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের দায়ে তিন ধারায় আসামিকে মোট ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিন কোটি ৩৯ লক্ষ ৯৭ হাজার ৯৪ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আসামি বেলায়েত হোসেন বর্তমানে পলাতক থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রাহক সংগ্রহে দুই বিমা কোম্পানির সংঘর্ষ: হবিগঞ্জে আহত অর্ধশতাধিক

ব্যাংক গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের দায়ে সাবেক ব্যবস্থাপকের ১৫ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৮:৩১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের দায়ে রুপালী ব্যাংক পিএলসি সোনাইমুড়ী শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মো. বেলায়েত হোসেনকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে নোয়াখালীর বিশেষ জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো. শওকত আলী এই রায় ঘোষণা করেন। বেলায়েত হোসেন সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ গ্রামের মৃত আব্দুর রবের ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বেলায়েত হোসেন ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত রুপালী ব্যাংক পিএলসি সোনাইমুড়ী শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ে তিনি ৫৬ জন গ্রাহকের স্বাক্ষর জাল করে নগদ তিন কোটি ৩৯ লক্ষ ৯৭ হাজার ৯৪ টাকা উত্তোলন ও স্থানান্তরের মাধ্যমে আত্মসাত করেন, যা দুদকের প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করে দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. হোসাইন শরীফ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আদালতে মামলাটি পরিচালনা করেন নোয়াখালী দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জহির উদ্দিন। তিনি জানান, আদালত ৫৬ জন গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের দায়ে তিন ধারায় আসামিকে মোট ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিন কোটি ৩৯ লক্ষ ৯৭ হাজার ৯৪ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আসামি বেলায়েত হোসেন বর্তমানে পলাতক থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।