জাপানে বর্তমানে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের তুলনায় পোষা প্রাণীর সংখ্যা প্রায় ২০ লাখ বেশি। দেশটিতে আশঙ্কাজনক হারে জন্মহার কমতে থাকায় একসময়ের শিশুতোষ পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখন পোষা প্রাণীদের বাজারের দিকে ঝুঁকছে। ন্যাপকিন, স্ট্রোলার এবং বেবি ক্যারিয়ারের মতো শিশু পণ্যের চাহিদা কমে যাওয়ায় কোম্পানিগুলো এখন ‘পেট কেয়ার’ বা পোষা প্রাণীর যত্নে বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়াচ্ছে।
বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইউরোমনিটরের তথ্যমতে, ২০২০ সালে জাপানে পোষা প্রাণীর যত্নের বাজার ছিল প্রায় ৪.২ বিলিয়ন ডলারের। ২০২৫ সাল নাগাদ এই বাজার ৫.৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো এখন শিশুদের পরিবর্তে কুকুর বা বিড়ালের জন্য বিশেষায়িত পণ্য তৈরি করছে। এমনকি অনেক জাপানি পরিবার এখন পোষা প্রাণীকে নিজ সন্তানের মতো লালন-পালন করছেন, যা এই খাতের ব্যবসাকে একটি নির্ভরযোগ্য ও ভবিষ্যৎমুখী খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
রিপোর্টারের নাম 






















